অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সেখানে ৭০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিপিজিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নজমুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০৪ কোটি ৯৭ লাখ ৬২ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪২ কোটি ৮৭ লাখ ৬ হাজার, প্রকল্প ঋণ ৫৩২ কোটি ৩৯ লাখ ১২ হাজার এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
মাতারবাড়ীর ২×৬০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সীমানায় থাকা ১৭১ একর অব্যবহৃত জমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হবে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক (ইআইবি) এ প্রকল্পে ঋণ ও অনুদান সহায়তা দেবে।
প্রকল্পের আওতায় সৌর প্যানেল, ইনভার্টার, এক কিলোমিটার দীর্ঘ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং প্রয়োজনীয় গ্রিড অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্পন্ন সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় প্রাথমিকভাবে ৫০ মেগাওয়াটের প্রস্তাব থাকলেও তা বাড়িয়ে ৭০ মেগাওয়াট করার সুপারিশ করা হয়।
পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের সরঞ্জামের দাম, অর্থায়ন কাঠামো ও সংস্থার নিজস্ব বিনিয়োগ নিয়ে কয়েকটি পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। এসব বিষয় পর্যালোচনায় শিগগিরই প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে।
জা.অর্থনীতি/এসআই
