৮ বিভাগে কোচ ও কোচিং স্টাফ চূড়ান্ত করল বিসিবি

দেশের নারী ক্রিকেটকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন উদ্যোগের কথা আগেই জানিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তারই ধারাবাহিকতায় তৃণমূল পর্যায়ে স্কুল ক্রিকেট চালুর সঙ্গে এবার বিভাগীয় পর্যায়ে নারী কোচ ও স্টাফ নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেছে বোর্ড। দেশের আটটি বিভাগেই এই নতুন কোচিং প্যানেল দায়িত্ব পালন করবে।

 

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, দেশের নারী ক্রিকেটের কাঠামোগত উন্নয়নের এই উদ্যোগে ৮ বিভাগে মোট ৫ জন নারী কোচ এবং ৩ জন পুরুষ প্রধান কোচকে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সঙ্গে প্রতিটি বিভাগের জন্য সহকারী কোচ ও ম্যানেজার পদেও নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। সাবেক ক্রিকেটার এবং লেভেল-১ কোচিং ডিগ্রিধারীদের এই নিয়োগে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তালিকায় স্থান পেয়েছেন জাতীয় দল কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিচিত মুখ ও সাবেক কৃতি ক্রিকেটাররা।

 

বিভাগভিত্তিক চূড়ান্ত হওয়া কোচিং প্যানেলের তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো:

 

ঢাকা বিভাগ: রেশমা আক্তার আদুরী (প্রধান কোচ), নাদেজা মুনতাহা (সহকারী কোচ) এবং মাকসুদা লিজা (ম্যানেজার)।

 

বরিশাল বিভাগ: আখতারুজ্জামান নয়ন (প্রধান কোচ), মাহমুদুল হায়দার (সহকারী কোচ) এবং মুর্শিদা নাজনীন (ম্যানেজার)।

 

চট্টগ্রাম বিভাগ: মোহাম্মদ ইসমাইল (কোচ), পারমিতা দত্ত (সহকারী কোচ) এবং মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী (ম্যানেজার)।

 

রংপুর বিভাগ: আরিফা জাহান বীথি (প্রধান কোচ), মুর্শেদা খাতুন সোমা (সহকারী কোচ) এবং মনিকা আক্তার আশা (ম্যানেজার)।

 

খুলনা বিভাগ: আয়েশা রহমান শুকতারা (প্রধান কোচ), তাজিয়া আক্তার (সহকারী কোচ) এবং সুলতানা ইয়াসমিন (টিম ম্যানেজার)।

 

সিলেট বিভাগ: আল ওয়াদুদ সুইট (প্রধান কোচ), শাহনাজ পারভীন (সহকারী কোচ) এবং সেলিনা আক্তার চৌধুরী (ম্যানেজার)।

 

রাজশাহী বিভাগ: পান্না ঘোষ (প্রধান কোচ), মোহাম্মদ সান (সহকারী কোচ) এবং ইমরুল কায়েস (ম্যানেজার)।

 

ময়মনসিংহ বিভাগ: মৃদুল (প্রধান কোচ), লিলি রানী বিশ্বাস (সহকারী কোচ) এবং সুজন (ম্যানেজার)।

 

বিশেষজ্ঞ কোচদের এই দলটি বিভাগীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা অন্বেষণ এবং নারী ক্রিকেটারদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে সংশ্লিষ্টরা। তৃণমূল থেকে মানসম্মত খেলোয়াড় তুলে এনে জাতীয় দলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। বিসিবির এই সময়োপযোগী ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ দেশের নারী ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ভিত্তিকে আরও বেশি মজবুত করবে বলেই বিশ্বাস ক্রীড়ামোদিদের।