আন্তর্জাতিক উৎসবে প্রশংসায় ভাবনা

বিনোদন ডেস্ক: দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একের পর এক সাফল্যের মুকুট পরে চলেছে ঢালিউডের প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব প্রিন্সেস’। দেশের প্রেক্ষাগৃহে এখনও সিনেমাটির অফিশিয়াল মুক্তি না মিললেও বিদেশের মাটিতে এর জয়যাত্রা থামছে না। আর এ সুবাদেই দেশি ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রাঙ্গনে প্রশংসায় ভাসছেন আশনা হাবিব ভাবনা।

এবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসতে চলা দুটি স্বনামধন্য চলচ্চিত্র উৎসবে অফিশিয়ালভাবে নির্বাচিত হয়েছে ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব প্রিন্সেস’ সিনেমাটি। বিশেষ করে ‘প্রিন্সেস রোজী’ চরিত্রটি নিয়ে আন্তর্জাতিক দর্শকদের পাশাপাশি দেশের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝেও নতুন করে তৈরি হয়েছে তীব্র আগ্রহ। রোজী চরিত্রটির জন্যই ভাবনাকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে দর্শক মহলে। 

আসন্ন আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে চার দিনব্যাপী ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব সিডনি’, যা চলবে আগামী ১ নভেম্বর পর্যন্ত। এর ঠিক পরপরই আগামী ১২ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত হবে ‘ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব পার্থ’। 

নির্মাতা আসিফ ইসলামের তরফ থেকে সিনেমাটির এই অস্ট্রেলিয়ান উৎসবে অংশ নেওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে মস্কো ও কাজান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের পাশাপাশি মর্যাদাপূর্ণ মেলবোর্ন উৎসবেও প্রশংসিত হয়েছিল সিনেমাটি।

জানা গেছে, ছবির মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে দেশের ঐতিহ্যবাহী ও পপুলার যাত্রাপালার সোনালী ঐতিহ্য, সময়ের সঙ্গে এর ক্রমাবনতি এবং বদলে যাওয়া দর্শকের রুচিকে কেন্দ্র করে। সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে কীভাবে মূল যাত্রাপালার চেয়ে ‘প্রিন্সেস রোজী’ নামের এক আকর্ষক নৃত্যশিল্পী মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে। 
সেই মর্মস্পর্শী ও বাস্তবধর্মী গল্পই তুলে ধরা হয়েছে ছবির গল্পে। আর এই চ্যালেঞ্জিং ‘প্রিন্সেস রোজী’ চরিত্রটিতে নিজেকে নিখুঁতভাবে মেলে ধরতে প্রায় নয় কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী ভাবনা। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সিনেমায় ভাবনা ছাড়া বাকি সকল অভিনয়শিল্পীরাই প্রত্যেকে বাস্তবের রক্ত-মাংসের যাত্রাশিল্পী।

আন্তর্জাতিক উৎসবে সিনেমাটির এমন ধারাবাহিক সাফল্য এবং নিজের কষ্টসাধ্য চরিত্রটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভাবনা নিজেও। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, প্রিন্সেস রোজী তার অভিনয় জীবনের অন্যতম একটি বিশেষ চরিত্র। বিশ্বমঞ্চে সিনেমাটির এমন সমাদর দেখে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত এবং অস্ট্রেলিয়ার দর্শকরাও এই শিকড়মুখী গল্পের সঙ্গে নিজেদের সহজেই মেলাতে পারবেন বলে তার বিশ্বাস।

জা. অর্থনীতি/এআর