জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা , সুশাসন ও নীতির সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যংক খাতের নীতিনির্ধারকেরা। তাদের মতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির সমন্বয় প্রয়োজন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) মিরপুরে বিআইবিএমের ১১তম বার্ষিক ব্যাংকিং সম্মেলনে উঠে এসেছে এসব বিষয়।
দু’ দিনব্যাপী এ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিলো ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন’।
সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআইয়ের চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার। বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে রাজস্ব খাতে শৃঙ্খলা, সরকারি ঋণের বাজার উন্নয়ন এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
নিয়োগ, মুদ্রানীতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যাংক তদারকিতে আইনগত সুরক্ষা জোরদার করলেও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। স্বাগত বক্তব্য দেন বিআইবিএমের অধ্যাপক ও সম্মেলন আয়োজক কমিটির সভাপতি ড. প্রশান্ত কুমার ব্যানার্জি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক বিভাগীয় পরিচালক জ্যঁ পেসমে, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার এবং অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স এর চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিনও এ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।
সম্মেলনের বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, উচ্চ অর্থায়ন ব্যয়, বিনিয়োগে স্থবিরতা, অবকাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ বাড়াচ্ছে।
ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন, সুশাসন ও আর্থিক স্থিতিশীলতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের করণীয় নির্ধারণে গুরুত্ব দিচ্ছে বিআইবিএমের বিগত ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজিত এ সম্মেলন। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে ব্যাংকিং ও অর্থনীতির সমসাময়িক সমস্যা এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি
