অনলাইন ডেস্ক: বছরের পর বছর বন্ধ থাকার পর সরকারি শিল্পকারখানায় আবারও উৎপাদন শুরু হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) উদ্যোগের আওতায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ রাজশাহীর দুটি কারখানা ইজারা নিয়ে চালু করেছে। এসব কারখানায় ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, যাঁদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাসসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল জানান, রাজশাহীর বরেন্দ্র রাজশাহী টেক্সটাইল লিমিটেড ও রাজশাহী জুট মিলস লিমিটেডে ফুটওয়্যার, লাগেজ, লেডিস ব্যাগ, তাঁবু ও ছাতা উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব পণ্য দেশের বাজারে বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
তিনি বলেন, উৎপাদন লাইন সম্প্রসারণের মাধ্যমে আগামী দিনে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। গত আগস্টে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন আরও দুটি জুট মিল ইজারা পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল। শিগগিরই সেগুলোতেও উৎপাদন শুরু হবে।
কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বন্ধ কারখানাগুলো চালু হওয়ায় অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও রপ্তানির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। আগে থেকেই বিদ্যুৎ, গ্যাস, সড়ক যোগাযোগ ও ভবনের মতো অবকাঠামো থাকায় তুলনামূলক কম খরচে দ্রুত উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
তার মতে, এসব কারখানা চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষের, বিশেষ করে নারীদের নিজ এলাকায় কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও গতি ফিরছে।
তবে কিছু কারখানায় যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। খুলনার স্টার জুট মিলের সড়ক দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বিনিয়োগ বাড়াতে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা, সহজ বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা, প্রণোদনা ও স্বল্প সুদের ঋণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
জা.অর্থনীতি/এসআই