অটোরিকশাচালক হত্যা মামলায় ৩ বছর পর গ্রেপ্তার ৩
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের নকলায় অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতে চালক মন্নাছকে নারীসঙ্গের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার প্রায় তিন বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনায় সরাসরি জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে সংস্থাটি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শেরপুর শহরের পুরাতন গরুহাট এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত পিপিএম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নকলা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের মোস্তাকিন (৩০) ও স্বপন (৪২) এবং পাশের ভূর্দি গ্রামের শাহিন (৪০)।

পিবিআই জানায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভাড়ায় অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন মন্নাছ। দুদিন পর ২৫ ডিসেম্বর বাঘমারী বিল থেকে কাদামাটি ও কচুরিপানার নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় মন্নাছের স্ত্রী নকলা থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করলেও রহস্য উদ্‌ঘাটনে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ জুলাই মামলার দায়িত্ব পায় পিবিআই। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সম্প্রতি আসামি মোস্তাকিন, শাহিন ও স্বপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেন, কেবল অটোরিকশাটি বিক্রি করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার লোভে মন্নাছকে নারীসঙ্গের ফাঁদে ফেলে বিলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে গলা টিপে ও পিটিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়। পরে অটোরিকশার বডি ও ব্যাটারি ভেঙে খণ্ড খণ্ড করে মাত্র ২২ হাজার টাকায় বিক্রি করে আসামিরা।—জা. অর্থনীতি/এলএটি