নিজস্ব প্রতিবেদক: কর্মনিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীল ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির জুলাই মাসের ‘সেরা কর্মী’ সম্মাননা পেয়েছেন পাঁচজন কর্মী। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতির নতুন অভিযাত্রার ৬ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে দুইজন কর্মীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জাতীয় অর্থনীতির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন সম্পাদক মো. ইসমাইল আলী।
জুলাইয়ের সেরা কর্মী পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে জামাল উদ্দীন, গ্রাফিক্স ডিজাইনার সেরা কর্মী (প্রিন্ট) হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন। আর স্টাফ রিপোর্টার হারুনুর রশিদ প্রণীত প্রথম প্রজন্মের সাফল্য ম্লান দ্বিতীয় প্রজন্মের হাতে এবং সাইদুর রহমান নোমান প্রণীত কিউআর পেমেন্ট: ভারত ও নেপালে মাশুল নেই, বাংলাদেশে হাজারে ১০ টাকা জুলাই মাসের সেবা প্রতিবেদন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল বিভাগে সেরা কর্মী পুরষ্কার পেয়েছেন নবাব আমিন (অ্যাসিসটেন্ট নিউজ এডিটর) এবং মাল্টিমিডিয়া বিভাগে সেরা কর্মী পুরস্কার পেয়েছেন পরিতোষ চন্দ্র দাষ (গ্রাফিক্স ডিজাইনার)।
এ সময় গত ছয় মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে মাহবুবুল হাসান, সাব-এডিটর (সম্পাদকীয়) ভ্যালু অ্যাডেড পারফরমাস হিসেবে সম্মাননা পান। আর স্টাফ রিপোর্টার হারুনুর রশিদ প্রণীত বাংলাদেশের শিক্ষক তৈরির ভিত্তি দুর্বল, ভুগছে শিক্ষাব্যবস্থা ভ্যালু অ্যাডেড রিপোর্ট হিসেবে পুরস্কার পায়। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে জাতীয় অর্থনীতির সিনিয়র রিপোর্টার সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে উপ-প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের চিঠি তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সম্পাদক মো. ইসমাইল আলী সম্মাননাপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী জুলাই মাসে জাতীয় অর্থনীতির ‘সেরা কর্মী’ নির্বাচন করা হয়েছে। এ মাসে সাতজনকে এ স্বীকৃতির জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। কাজের প্রতি আন্তরিকতা, কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তিনি একে একে নির্বাচিত সেরা কর্মীদের নিজ হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
আরও পড়ুন:
সহকর্মীদের ভোটে নির্বাচিত পপুলার চয়েস প্রতিবেদন
পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক সন্দীপন বসু বলেন, দায়িত্বশীলতাসহ কর্মীদের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা ও পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে ‘সেরা কর্মী’ নির্বাচন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক জাতীয় অর্থনীতির উপ-সম্পাদক আলী আজম এবং পত্রিকাটির বিভিন্ন বিভাগের কর্মীরা।
—জা.অর্থনীতি/আরএস
