মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের “বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাবনা প্রণয়ন” শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আখেরি নাঈমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

কর্মশালায় ‘গেস্ট অব অনার’ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফএমআরআইটি ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ মুস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. গোলাম সারোয়ার এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লোকমান আলী। গবেষণা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম, ড. মো. আরিফুল ইসলাম, ড. আশিকুর রহমান, অভিজিৎ বসু এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোয়েবুল ইসলাম ও ইকরামুল হক।

কর্মশালায় গবেষকরা ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেন এবং আগামী ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য নতুন গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এতে চিংড়ি ও অন্যান্য মৎস্যসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই মৎস্য চাষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, গবেষণালব্ধ তথ্য ও প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের মৎস্যখাতকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব। নিরাপদ ও টেকসই মৎস্য উৎপাদনে গবেষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্য বক্তারা মাঠ পর্যায়ের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মশালায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন কেন্দ্রের বিজ্ঞানী, গবেষক ও মৎস্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি