ফকিরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে মাজারের পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে: জাকির হোসেন
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

বাগেরহাট প্রতিনিধি: ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজার পরিচালনার মধ্যে কোনো সমস্যা থাকলে প্রয়োজনে এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা আলহাজ্ব ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে মাজার সংলগ্ন দিঘি থেকে কুমির স্থানান্তরের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন— বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলম, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল ইসলাম গোরা, শরীফ মোস্তফা জামান লিটু এবং মনির হোসেন খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।

ব্যারিস্টার জাকির হোসেন বলেন, "খানজাহান আলীর মাজার শুধু বাগেরহাটের নয়, এটি জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। ফকিরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এটির পুনর্বিন্যাস করা যেতে পারে, তাই বলে দিঘি থেকে কুমির সরিয়ে নেওয়া কোনো সমাধান নয়।" মাজারের বিভিন্ন কুসংস্কারের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "মাজারের দিঘির পানি শেফা (রোগমুক্তি) হিসেবে খাওয়া বা গোসল করা শিরক, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি মূলত সুপেয় পানির জন্য এই দিঘি খনন করেছিলেন। এ ছাড়া মাজারে পয়সা মানত করার বিধান কোথাও নেই, তাই এখানে দান বাক্স না রাখলেও চলবে।"

প্রতিবাদ সভা থেকে বক্তারা মাজারের দিঘিতে পুনরায় কুমির পুনর্বাসন, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং মাজারের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি