যশোরে চাকরি মেলায় প্রার্থীর ঢল
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

যশোর প্রতিনিধি: মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) আয়োজিত যশোরের দিনব্যাপী চাকরি মেলায় ব্যাপক সমাগম ঘটেছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনুষ্ঠিত এ মেলায় প্রায় ১০ হাজার চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন।

মেলায় ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী ৩৬টি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ৫ শতাধিক কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’ প্রতিপাদ্যে যশোর প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) চত্বরে এ চাকরি মেলার আয়োজন করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। সকাল থেকেই মেলা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পুরো এলাকা জনসমাগমে মুখর হয়ে ওঠে।

‘আগামী বছর তিস্তা মহাপরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হবে’

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন এমআরএর এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- এমআরএর নির্বাহী পরিচালক নূরে আলম মেহেদী, পরিচালক আবদুল মান্নান, যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ, আরআরএফের প্রধান নির্বাহী ফিলিপ বিশ্বাস, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তার এবং আর্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক শামসুল আলম।

মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টলে চাকরিপ্রার্থীরা নিজেদের সিভি জমা দেন। পছন্দের প্রতিষ্ঠানে সরাসরি আবেদন করার পাশাপাশি নিয়োগদাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান তারা। 

আয়োজকরা জানান, কিছু প্রার্থী মেলা থেকেই নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে যাবেন। অন্যদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হবে।

ময়মনসিংহে নাগরিক সমস্যা ও যুব-সম্পৃক্ততা বিষয়ে সেমিনার

চাকরিপ্রার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে মেলার বিভিন্ন স্টলে ভিড় দেখা যায়। অনেকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে সিভি জমা দেন এবং নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য নেন।

আয়োজকদের মতে, ক্ষুদ্রঋণ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থী ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। মেলার পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণবিষয়ক একটি সেমিনারেরও আয়োজন করা হয়েছে।

চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন তাদের জন্য এক জায়গায় একাধিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সুযোগ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে চাকরি মেলার আয়োজন করা হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। তবে বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর কথা বিবেচনায় রেখে পরবর্তী আয়োজনে প্রবেশ, আবেদন ও সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থাপনা আরও সুশৃঙ্খল করার প্রত্যাশা তাদের।

আয়োজকেরা বলছেন, ক্ষুদ্রঋণ খাতে দক্ষ ও আগ্রহী জনবল যুক্ত করার পাশাপাশি তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

—জা. অর্থনীতি/এনজে