পদ্মশ্রী অভিনেত্রী টাবু’র ৫৫

জাতীয় অর্থনীতি বিনোদন: চোখের নীরব ভাষা আর নিখুঁত অভিনয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রাঙ্গণকে কয়েক দশক ধরে সমৃদ্ধ করে চলেছেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অভিনেত্রী টাবু। ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সেরা এই অভিনেত্রীর ৫৫তম জন্মদিনে বিনোদন জগৎ ও তার অগণিত ভক্তরা জানাচ্ছে গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা।

১৯৭১ সালের ৪ নভেম্বর হায়দরাবাদে জন্মগ্রহণ করা টাবু ফাতিমা হাশমি, যিনি পর্দায় ‘টাবু’ নামে সমধিক পরিচিত, বাল্যকাল থেকেই অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত। ১৯৯০-এর দশকে মূলধারার নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর হিন্দি, তামিল, তেলেগু, বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বহু চলচ্চিত্রে নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টাবু অর্জন করেছেন দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, রেকর্ডসংখ্যক ফিল্মফেয়ার ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১১ সালে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’।

ক্যারিয়ারে বহু স্মরণীয় চরিত্র উপহার দিয়েছেন তিনি। ১৯৯৬ সালে গুলজারের ‘মাচিস’ সিনেমায় বীরান চরিত্রে অভিনয় করে পান প্রথম জাতীয় পুরস্কার। ১৯৯৭ সালের ‘ভিরাসাত’ ও ২০০০ সালের ‘অস্তিত্ব’ ছবিতে তার অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ২০০১ সালের ‘চান্দনি বার’ চলচ্চিত্রে মুম্বাইয়ের বার ড্যান্সার মমতাজের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়ের জন্য জয় করেন দ্বিতীয় জাতীয় পুরস্কার।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি ছড়িয়েছেন দীপ্তি। ২০০৬ সালে মীরা নায়ারের ‘দ্য নেমসেক’ ছবিতে আশিমার ভূমিকায় তার অভিনয় বিশ্বজুড়ে কুড়ায় সমাদর। এ ছাড়া ‘চিনি কম’ (২০০৭), শেক্সপিয়ারের হ্যামলেট অবলম্বনে তৈরি ‘হায়দার’ (২০১৪) এবং থ্রিলার ছবি ‘আন্ধাধুন’ (২০১৮)-এ তার শক্তিশালী ও খল চরিত্রের রূপায়ন দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজি ও এইচবিও-র আন্তর্জাতিক সিরিজ ‘ডুন: প্রফেসি’-তেও নিজের অনবদ্য অভিনয়শৈলী তুলে ধরেছেন এই রূপালী পর্দার জাদুকর।

জা. অর্থনীতি/এআর