বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের আড়ালে আগ্রাসনের থাবা

আবু তাহের খান: বৈদেশিক বিনিয়োগকে উন্নয়নের অন্যতম মানদণ্ড বা সূচক হিসেবে গ্রহণের একটি জোর প্রবণতা এখন পৃথিবীর অনেক দেশেই রয়েছে, বিশেষত বিশ্বব্যাংকের সহায়তা, পরামর্শ ও খবরদারির প্রাধান্যযুক্ত দেশগুলোয়। কিন্তু বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়লেই যে উন্নয়ন গতি পাবে এমনটি মনে করার কোনো কারণ নেই। তেমনটি ভাবা এতদসংক্রান্ত চিন্তার খুবই অতিসরলীকরণ। অথচ বারবার উচ্চারণের ফলে এরূপ একটি অতিসরলীকৃত চিন্তাই ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রভাবিত দেশগুলোয় অনেকটা সর্বজনীন ধারণা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি শুধু ভ্রান্তিপূর্ণই নয়— একইসঙ্গে বিভ্রান্তিকরও ও কখনও কখনও ক্ষতিকরও। কিন্তু বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত যে অনুষঙ্গগুলো এসব ক্ষতির জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সেগুলো গোপন রাখছে বিধায় এসব ক্ষতির ধরন ও মাত্রা সম্পর্কে সাধারণ জনগণের পক্ষে আগে থেকে প্রায় কিছুই বোঝা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু সেগুলো প্রকাশ পাওয়ার পর যখন প্রকৃত অবস্থা বেরিয়ে আসছে তখন বিনিয়োগগ্রহীতা দেশের পক্ষে বিনিয়োগকারী দেশের কাছে নীরবে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকছে না। 

বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য নিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে ঠিক একরকম একটি পরিস্থিতির ভেতর দিয়েই যাচ্ছে। কিন্তু এসব আত্মঘাতী কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারগুলো জনগণকে কিছুই জানাচ্ছে না বা জানতে দিচ্ছে না যা আগেও উল্লেখ করা হয়েছে। আর এসব তথ্য গোপন করে তারা দেশের ভূসম্পদ, পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বকে কার্যতই বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এমনি পরিস্থিতিতে বিষয়গুলো অবিলম্বে জনগণকে জানাতে না পারলে ও জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধের মাধ্যমে সেগুলোকে এখনই ঠেকানো সম্ভব না হলে দীর্ঘমেয়াদে তা এমন বড় মাত্রার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যেখান থেকে ওইসব ক্ষতি কাটিয়ে ফিরে আসার আর কোনো পথই খোলা থাকবে না। ফলে এ নিয়ে আলোচনা করাটা শুধু জরুরিই নয়, এতে জনগণকে কীভাবে আরও অধিক হারে সম্পৃক্ত করা যায় সে উপায়ও খুঁজে বের করা দরকার। বিষয়টিকে খোলাসা করার জন্য কয়েকটি উদাহরণ নিম্নে তুলে ধরা হলো।

কৃষি: ১৯৭২ সালে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিল ১১০ লাখ মেট্রিক টন যা বর্তমানে প্রায় ৫ গুণ বেড়ে ৫৫০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। বিষয়টি নিঃসন্দেহে উৎসাহব্যঞ্জক। কিন্তু যেটি আলোচনায় নেই তা হচ্ছে একাধিক পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানি বাড়তি ফলনের লোভ দেখিয়ে কৃষকের অজান্তেই জিনগতভাবে পরিবর্তিত (জেনেটিক্যালি মোডিফাইড-জিএম) বীজ ও অন্যান্য এমনসব উপকরণ বাংলাদেশের কৃষিতে অনুপ্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে যেটিকে পুঁজি ও মুনাফার একচেটিয়া আগ্রাসন বললেও কম বলা হয়। ব্যবসা বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশের কৃষি খাতকে তারা এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে চেপে ধরেছে যে তাদের সে আগ্রাসন থেকে দেশের কৃষি খাত তথা কৃষিজমি, পরিবেশসম্মত জৈব চাষাবাদ পদ্ধতি ও দরিদ্র কৃষক কেউই বেঁচে থাকতে পারবে কিনা সে ব্যাপারে জোরালো সন্দেহ দেখা দিয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানি মনসানটোসহ (২০১৮ সালে জার্মান কোম্পানি বেয়ারের সঙ্গে একীভূত) সংশ্লিষ্ট বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর ওপর এ দেশের কৃষকের নির্ভরতা এতটাই বেড়ে যেতে ও এমনই এক অচ্ছেদ্য চক্রে আটকা পড়ে যেতে পারে যে তখন এটিকে বাংলাদেশের কৃষি খাত না বলে পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ ক্ষেত্র বলাই সমীচীন হবে। আর এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদটি হচ্ছে এ ব্যবস্থা প্রবর্তনের সব আয়োজন গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিতে (এআরটি) সম্পন্ন হয়ে আছে।

বহুজাতিকদের ওপর বাংলাদেশের কৃষি খাতের উল্লিখিত নির্ভরশীলতার বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করে বলি। মনসানটো বা বেয়ার বাংলাদেশের কৃষিতে এমনসব জিএম বীজ, সার, কীটনাশক ও অন্যান্য উপকরণ প্রবর্তন করতে চাচ্ছে যেগুলো প্রবর্তিত হলে তাদেরগুলো ছাড়া এ দেশের কৃষিজমিতে স্থানীয় বা অস্থানীয় আর কোনো বীজ, সার, কীটনাশক ইত্যাদির কোনোটিই কাজ করবে না। এসব প্রতিটি উপকরণের জন্য কৃষককে তখন মনসানটো বা বায়ারের কাছে ফিরে যেতে হবে অর্থাৎ ঘুরেফিরে তাদের কাছ থেকে উপকরণ কিনেই বাংলাদেশের জমিতে চাষাবাদ করতে হবে। আর এভাবে দেশের সমুদয় আবাদি জমি যখন তাদের উপকরণের আওতায় চলে যাবে তখন সেটি আর বাংলাদেশের কৃষি খাত থাকবে না— প্রায় পুরোপুরিই হয়ে উঠবে মার্কিন ও ইউরোপীয় বহুজাতিকদের ইজারালব্দ জমি। বাংলাদেশের কৃষকরা সেখানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করবে মাত্র। উল্লেখ্য, উল্লিখিত মার্কিন-ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো তাদের কিছু কিছু কৃষি উপকরণ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের অনুমতি নিয়ে বা না নিয়েই বাজারজাত করতে শুরু করে দিয়েছে এবং অন্যগুলো বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়ায় অনেক দূর এগিয়ে আছে। যতটুকু জানা যায়, কাজগুলো কৃষি মন্ত্রণালয়ের জ্ঞাতসারেই হচ্ছে। কিন্তু এসব প্রতিরোধের ব্যাপারে তারা একেবারেই নির্লিপ্ত বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা বরং বহুজাতিকদের সহযোগীও হয়ে উঠছে। 

শিল্প: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি বৃদ্ধির নাম করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে জাহাজভাঙা শিল্প বেশ রমরমা গতিতেই প্রসারিত হচ্ছে যার সঙ্গে বৈদেশিক বিনিয়োগও যুক্ত রয়েছে। কিন্তু বিদেশ থেকে যেসব পরিত্যক্ত জাহাজ এনে সেগুলো এখানে ভাঙা হচ্ছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেসব জাহাজ ও জাহাজের উপকরণাদি উচ্চ তেজস্ক্রিয়তাযুক্ত ও বিষাক্ত ধাতু দ্বারা গঠিত। ফলে এসব জাহাজ ভাঙার সময় উল্লিখিত তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব ও অন্যান্য বিষক্রিয়া শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারীদের দেহেই নয়— পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষ, পশুপাখি ও গাছপালার মধ্যেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি খুবই দুশ্চিন্তার ও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিক্রিয়ার ধরন চেরনোবিল কিংবা ভূপালের পর্যায়ের না হলেও বৈশিষ্ট্যে তেমনই হয়ে ওঠে কিনা সে ব্যাপারে প্রশ্ন ওঠতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় রপ্তানি বৃদ্ধি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের নামে এরূপ আত্মঘাতী আকাঙ্ক্ষা থেকে বাংলাদেশের যত দ্রুত সম্ভব সরে আসা উচিত। কিন্তু এসব শিল্পের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক রাজনীতিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক এতটাই নিবিড় যে, শেষ পর্যন্ত এ থেকে সরে আসার কাজটি আদৌ হবে কিনা সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আসা বৈদেশিক বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় খাত হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)। একাধিক মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি থেকে শুরু করে হালের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংক পর্যন্ত এ খাতের সবগুলো কোম্পানিই মোটামুটি বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশে কাজ করছে এবং তারা মুনাফাও লুটছে সবচেয়ে বেশি হারে। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিদেশি কোম্পানিগুলোর এ বিপুল মুনাফার বিনিময়ে বাংলাদেশ কী পাচ্ছে আর কী হারাচ্ছে? বাংলাদেশ যা যা পাচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে: এক. দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধা পাচ্ছে, যদিও এখন পর্যন্ত তা যথেষ্ট দক্ষ ও দ্রুত গতির নয়; দুই. টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সুবিধাকে ব্যবহার করে এ খাতের আওতাতেই বহুসংখ্যক ছোট ছোট খুচরা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে; তিন. মোবাইল ফোনসেট ও আনুষঙ্গিক খুচরা সরঞ্জামাদি তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে ইত্যাদি। 

আর এসবের বিপরীতে দেশ যা হারিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে: এক. এসব কোম্পানি ক্রমাগতভাবে ভুল ঘোষণা ও অসত্য তথ্য প্রদানের মাধ্যমে সরকারকে বিপুল পরিমাণ কর ও শুল্ক ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছে; দুই. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো (ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন ইত্যাদি) সরকারকে নামমাত্র কর দিয়ে কিংবা প্রায় না দিয়েই বছরের পর এ দেশে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়ত ব্যস্ত থাকা এ দেশের কোটি কোটি গ্রাহকের কাছ থেকে প্রতিদিনই তারা কোটি কোটি ডলার রাজস্ব আয় করে নিচ্ছে কিন্তু এর বিপরীতে সরকারকে তারা কানাকড়িও দিচ্ছে না। লেখালেখির মাধ্যমে বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিতে আনার পর সরকার সম্প্রতি এ বিষয়ে সীমিত পরিসরে উদ্যমী হলেও প্রয়োজনের তুলনায় সে উদ্যোগ খুবই অপ্রতুল। অথচ সাধারণ দরিদ্র জনগণের ওপর প্রত্যক্ষ কর চাপানোর ব্যাপারে সরকার সর্বদাই খড়গহস্ত। 

তিন. এ দেশের মানুষ যখন প্রথমে ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করতে শুরু করে তখন তাদের অধিকাংশের মধ্যেই ছিল এক ধরনের শিহরণ। সে শিহরণ এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এই রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যেটি ঘটেনি, সেটি হচ্ছে সচেতনতা ও সতর্কতার বোধ। আর তা না ঘটার কারণে এ দেশের কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য এখন অনেকটাই অনিরাপদ ও অরক্ষিত। এ দেশের অধিকাংশ স্বল্পশিক্ষিত মানুষ ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহারের নিয়মকানুন ও খুঁটিনাটি সম্পর্কে অবহিত নন বলে তারা জানতে ও বুঝতেই পারছেন না, কীভাবে তিনি তার ব্যক্তিগত তথ্যাদি বিভিন্ন স্বার্থভোগী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দিচ্ছেন। 

চার. অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেই কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই ছাড়াই ইন্টারনেট সেবাপ্রদানকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করার জন্য রাতারাতি সব অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে দেন। বিষয়টি তিনি এত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করেন যে সাধারণ জনগণ তো দূরের কথা-সংশ্লিষ্ট আমলা, বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য নীতিনির্ধারকরাও তা বুঝে উঠতে পারেননি। এমনটি কেন ঘটেছে বা একটি অন্তর্বর্তী সরকারের অনিশ্চিত সময়েও কেন স্টারলিংক বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে এত উৎসাহী হয়ে উঠেছিল, সে বিষয়ে আলোচনা ও অভিমত চালু আছে। 

পরিশেষে, কৃষি খাতের মনসানটো বা বেয়ার, শিল্প খাতের জাহাজভাঙা শিল্প, আইসিটি খাতের স্টারলিংক ইত্যাদি সবই একই সূত্রে গাঁথা। নয়া ঔপনিবেশিক যুগের বাণিজ্যিক ও ভূরাজনৈতিক কৌশলগত আগ্রাসন যার মূল কথা। ফলে আইসিটি প্রযুক্তির সর্বশেষ ধারার বিকাশ ও উৎকর্ষতার পরিপ্রেক্ষিতে শুধু বাংলাদেশ নয়— বিশ্বের সবদেশকেই এখন অনেক বেশি সতর্ক ও সচেতন হতে হচ্ছে এবং অন্যরা সেটি হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনগ্রসর বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পক্ষে সে সতর্কতা রক্ষার বিষয়টি একেবারেই সম্ভব হচ্ছে না। স্বল্প সময়ের জন্য ক্ষমতায় আসা দেশাত্মবোধহীন স্বার্থপর মানুষরা সে বিষয়টিকে আরও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছেন। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এসে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, নিরাপত্তা ও অপরাপর কৌশলগত স্বার্থে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক লেনদেন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও সতর্ক, সচেতন ও সাবধানী হতেই হবে। নইলে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের আড়ালে অনৈতিক আগ্রাসনই শুধু বাড়বে না— রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্বও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়।


অ্যাডজাংকট ফ্যাকাল্টি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি ও সাবেক পরিচালক, বিসিক, শিল্প মন্ত্রণালয়