ডিভোর্স নিয়ে পিটারের বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ সেলিনার

বিনোদন ডেস্ক: বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ উপহার পাওয়ার কথা ভেবে ডাকঘরে গিয়ে হাতে পেলেন বিচ্ছেদের আইনি নোটিশ। অস্ট্রিয়ান ব্যবসায়ী স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদ ও বৈবাহিক নির্যাতন নিয়ে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। 

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন বার্তায় অস্ট্রিয়া ছেড়ে মুম্বাই ফিরে আসার কথা জানান সেলিনা। তিনি জানান, ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর একটি ক্রেডিট কার্ডের টিকিট, কিছু জরুরি ফাইল, মায়ের শাড়ি আর ভাঙা হৃদয় নিয়ে তিনি মুম্বাই ফেরেন। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ১৫তম বিবাহবার্ষিকীর উপহারের সংবাদে তিনি ডাকঘরে পৌঁছলেও সেখানে হাতে দেওয়া হয় ডিভোর্স নোটিশ।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার সূত্রমতে, শুনানিতে আদালত সমঝোতার সুযোগ দিলেও স্বামীর অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী। সেলিনা জানান, তিনি স্বামীকে অনুরোধ করেছিলেন আদালতের কাছে নির্যাতন ও যন্ত্রণার কথা গোপন রাখবেন। অন্তত সন্তানদের কথা ভেবে যেন শান্তিপূর্ণ বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু উল্টো তাকে আইনি ফি জোগাড় করতে ক্লিনের কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ১৫ বছরের সংসার ও ৪ সন্তান থাকার পরও পিটারের আচরণে হতবাক তিনি ।

এরপর থেকেই বিয়ের আগের সম্পত্তির দাবি তোলা এবং অস্ট্রিয়ায় তার চলাফেরা ও সন্তানদের প্রবেশাধিকার সীমিত করার চেষ্টা চলে। সারাক্ষণ নজরদারির মুখে পড়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় রাতেরবেলা হোটেলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তিনি। আদালতে নিজের প্রাক-বৈবাহিক সম্পত্তির দাবি জানানোর পরই সন্তানদের সঙ্গে তার যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। বাচ্চাদের মগজধোলাই করে তাকে 'অযোগ্য মা' হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেন সেলিনা।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পিটার হাগের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সেলিনা। তাদের ৪ সন্তান রয়েছে। সব বাধা পেরিয়ে ন্যায়ের জন্য নিজের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

জা. অর্থনীতি/এআর