আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় তিন বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় গাজার বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের কিছু আংশিক এবং কিছু পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় সেগুলো ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি ভবন ধসে ২১ জন নিহত হওয়ার পর ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাজার সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা ২৫৫টি ভবন ভেঙে ফেলার কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু এবং ভবনগুলোর বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব ভবন দ্রুত খালি করা প্রয়োজন, সেগুলোর মালিকদের আনুষ্ঠানিক নোটিশ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ভবনগুলোর সামনে সতর্কতামূলক চিহ্ন স্থাপন করা হবে, যাতে কেউ সেখানে প্রবেশ না করেন। সরিয়ে নেওয়া পরিবারগুলোর জন্য অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থাও করা হবে।
তবে উদ্যোগটি বাস্তবায়নে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর। কিছু পরিবার নিজেদের বাড়ি ছেড়ে যেতে রাজি নয়। এ ছাড়া অর্থসংকট ও প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির ঘাটতিও রয়েছে। ইসরায়েলি অবরোধের কারণে নিরাপদে ভবন ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়েছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে গাজা সিটিতে যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ছয়তলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ১২ জন শিশু ও পাঁচজন নারী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও ১৪ জন আহত হন।
ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, আল সাদা নামের ভবনটি ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকা পড়েছিলেন।
জা.অর্থনীতি/এসআই
