কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: অতিবৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে প্রতিবছরের মত এবারও নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে উপজেলার সীমান্তবর্তী দুটি ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারি এলাকার চরাঞ্চলের প্রায় ৩৭ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
ডুবে গেছে রাস্তা, ঘাট ও ফসলি জমি। কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে পাঠদান। এলাকার মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। বিশেষ করে করে শিশু ও গবাদিপশু নিয়ে পরিবারগুলোর ভোগান্তি বেড়েছে।
এদিকে, খাদ্য সংকটের আশঙ্কার সাথে বেড়েছে সাপের উপদ্রপ।
বর্ষার পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু
কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে গত ২৪ ঘণ্টায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি বেড়েছে ৯ সেন্টিমিটার। বর্তমানে সেখানে পানি বিপৎসীমার চেয়ে ৭৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দুই/তিন দিনের মধ্যে পানি কমবে বলে ধারণা করছেন তারা। তবে পানি বাড়তে থাকলে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হবে। সেই আতঙ্কে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের।
চিলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান বলেন, এই এলাকা চরাঞ্চল। প্রতিবছরই পদ্মায় পানি বাড়লে এই এলাকায় পানি ঢুকে পড়ে। এ বছর ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামের মধ্যে ১৭টির নিম্নাঞ্চলের ঘর বাড়ির উঠানে পানি উঠে গেছে। এতে দুটি ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারির প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
—জা. অর্থনীতি/এনজে