তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বিভিন্ন হাট-বাজারে ৫, ১০ ও ২০ টাকার আগুনে পোড়া কাগুজে নোট ব্যাপকভাবে লেনদেন হচ্ছে। দেখতে প্রায় ঝকঝকে নতুন হলেও এক কোণা পোড়া থাকায় এসব নোট নিয়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। কোথা থেকে এসব নোট আসছে এবং কেনই বা নোটের কোণা পুড়ে যাচ্ছে—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) তাড়াইল সদর বাজার, কাপড়পট্টি, বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিদিনের স্বাভাবিক লেনদেনে এমন পোড়া কোণাযুক্ত নোটের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোটে এ ধরনের পোড়া অংশ বেশি দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ব্যাংক থেকে নতুন নোট সংগ্রহের পর তা কীভাবে পোড়া অবস্থায় বাজারে আসছে তা তাদের জানা নেই। সাধারণ চালক ও যাত্রীদের মধ্যেও পোড়া নোট গ্রহণ করা নিয়ে তৈরি হচ্ছে বাকবিতণ্ডা। তাড়াইল সদর বাজারের স্থানীয় পান-সিগারেট ও মুদি দোকানদারদের ধারণা, মাদক সেবনের কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কাগুজে নোট ব্যবহারের কারণে হয়তো এমন হতে পারে, তবে এর কোনো নিশ্চিত প্রমাণ নেই।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, ছেঁড়া-ফাটা বা পোড়া নোটের ৫১ থেকে ৭৫ শতাংশ অবশিষ্ট থাকলে মূল মূল্যের ৫০ শতাংশ, ৭৬ থেকে ৯০ শতাংশ অবশিষ্ট থাকলে ৭৫ শতাংশ এবং ৯০ শতাংশের বেশি অবশিষ্ট থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে শতভাগ মূল্য ফেরত পাওয়ার নিয়ম রয়েছে।
তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, কাগজের নোটের কোণা কী কারণে পোড়া তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন; কোনো দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণেও এটি হতে পারে।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি