শিক্ষা ডেস্ক: আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি ফেরার আভাস পাওয়া গেছে। ঘোষণা এসেছে, ভর্তি পরীক্ষা চালুর বিষয়টি বাতিলের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এদিকে প্রথম শ্রেণিসহ অন্যান্য শ্রেণিতে আগের মতো লটারির মাধ্যমেই শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে ইতিবাচকভাবে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (৩ আগস্ট) এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়টি ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার হবে’
এর আগে গত মার্চে এক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আকস্মিকভাবেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভর্তিতে লটারি পদ্ধতির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হবে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা লটারি ব্যবস্থা প্রত্যাহার করলাম।’
ভর্তির পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার ঘোষণার পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে, ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে পুরোনো সমস্যাগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনতে পারে। আর শিশু বয়সে মেধার তেমন কোনো পার্থক্য থাকে না। এই বয়সে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা যৌক্তিক নয়। এতে বরং শিশুদের ওপর অযাচিত প্রতিযোগিতা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়। একইসঙ্গে কোচিং-নির্ভরতা বাড়ে, যা শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বাণিজ্যিক করে তোলে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে শিশুদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতিই তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে লটারি যেন আরও স্বচ্ছভাবে হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।
—জা. অর্থনীতি/এনজে