অনলাইন ডেস্ক: স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগ দেওয়া হবে।
রবিবার (২১ জুন) পর্তুগালের লিসবন সফর শেষে দেশে ফিরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
তিনি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ প্রতিরোধ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা সহায়তায় কাজ করবেন।
মিডওয়াইফ নিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি জানান, শুধু নিয়োগ নয়, তার আগে একটি সুসংগঠিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে। যাতে তারা মাঠপর্যায়ে আধুনিক ও নিরাপদ মাতৃসেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম হন। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার মানোন্নয়নে কাজ শুরু করেছে।
স্বাস্থ্যসেবার কাঠামো পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি সমন্বিত ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো আরও সক্রিয় করা হবে এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দেবেন।
তবে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি। তার ভাষায়, বিদ্যমান ক্লিনিকগুলো আগের মতোই চালু থাকবে, বরং নতুন ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত করা হবে।
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ