নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা এবং বন্দরগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়ার ঘোষণা থাকতে পারে বাজেটে। এ ছাড়া আধুনিক লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ওয়াগন সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।
বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ। এই রুটের ঢাকা-কুমিল্লা অংশে কর্ডলাইন নির্মাণ করা হলে যাত্রাপথ প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমে আসবে বলে উল্লেখ করা হতে পারে।
এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলওয়ে করিডোর প্রতিষ্ঠা এবং চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও ঘোষণা করতে পারেন অর্থমন্ত্রী।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ের ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে কোচ ও লোকোমোটিভ সংযোজন (অ্যাসেম্বলিং) কার্যক্রমও সম্প্রসারণের উদ্যোগ রয়েছে।
রেলপথে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ডুয়াল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বিদ্যুৎচালিত (ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন) ও উচ্চগতির রেল সংযোগ চালুর বিষয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ
