ঘুরতে নিয়ে গিয়ে নারীতে গণধর্ষণ, পুলিশ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় এক যুবতীকে খামারবাড়িতে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও সিআরপিএফের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য ও দুই সিআরপিএফ জওয়ানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত এক সাব-ইন্সপেক্টরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার আমরোহা জেলার হাসানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী যুবতীর বয়ান অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর তার পরিচিত এক নারী বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান ঘুরে দেখানোর কথা বলে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে মুজফ্ফরনগরের সৌরং গ্রামের বাসিন্দা সিআরপিএফ সদস্য মোহিতের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়। পরদিন হরিয়ানার সনিপতে মোহিতের সঙ্গে দেখা করেন ওই যুবতী। সেখান থেকে তারা মারাটে যান। সেখানে মোহিতের সহকর্মী সিআরপিএফের হেড কনস্টেবল লালারাম যাদবের সঙ্গে দেখা হয়।

২২ সেপ্টেম্বর তারা হাসানপুরের একটি খামারবাড়িতে পৌঁছান। পথে তাদের সঙ্গে যোগ দেন হাসানপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় তোমর। অভিযোগ, পুলিশ হেড কনস্টেবল প্রমোদ তাদের জন্য খামারবাড়িতে খাবার ও মদের ব্যবস্থা করেন। সেদিন সন্ধ্যায় মোহিত, যাদব ও তোমর পরপর ওই যুবতীকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। পরে প্রমোদ তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে যুবতী তাকে ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বের করে দরজা বন্ধ করে দেন।

বুধবার ভোর ৬টার দিকে যুবতী পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হাসানপুর ও রাজাবপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে এবং চার অভিযুক্তকে আটক করে।

পুলিশ সুপার লক্ষ্মণ সিং যাদব জানান, যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ বা প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং গণধর্ষণের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। দুই সিআরপিএফ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

জা.অর্থনীতি/এসআই