যশোর প্রতিনিধি: যশোরে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় এক ইন্টারনেটকর্মী ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্রে কাজ করার সময় মই থেকে পড়ে এক ইন্টারনেটকর্মী এবং কেশবপুর উপজেলায় বিলে কাজ ও মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১১টার দিকে যশোর শহরের জেস টাওয়ারের সামনে বৈদ্যুতিক পোলে উঠে ইন্টারনেটের সংযোগ প্রদানের কাজ করার সময় বাঁশের মই থেকে আচমকা ছিটকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন ইমরান হোসেন ইমন (২৯) নামের এক ইন্টারনেটকর্মী। সহকর্মীরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরবর্তীতে হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ইমরান হোসেন খুলনার টুটপাড়া এলাকার আজাহার আলী শেখের ছেলে। তিনি যশোর শহরের মুড়লী মোড় এলাকার একটি স্থানীয় ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। কাজের সময় অসাবধানতাবশত মই পিছলে নিচে পড়ে মাথা ও শরীরে মারাত্মক আঘাত পাওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অন্যদিকে, যশোরের কেশবপুর উপজেলায় সকালে প্রচণ্ড বজ্রপাতে জনাব আলী গাজী (৬৫) নামের এক কৃষকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নতুন মূলগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জনাব আলী ওই গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও মাঠে কৃষিকাজ করা ও বিলে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন জনাব আলী। সকালের দিকে হঠাৎ প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের সাথে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি দ্রুত বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে খোলা মাঠে বজ্রপাতের শিকার হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহের সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। পৃথক দুটি প্রাণহানির ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পৃথক অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি