ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বর্বরোচিত ইতিহাস বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হবে: এহসান মাহমুদ
ছবি: সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর রায়েরবাজার কবরস্থানে শহীদদের গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের নতুন মহাপরিচালক এহসান মাহমুদ। 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শ্রদ্ধা নিবেদনকালে তার সাথে জাদুঘরের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। তারা পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছু সময় নীরবতা পালন করে শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান। এরপর গণ-অভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। একই সাথে শোকসন্তপ্ত স্বজনদের শোক সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য প্রার্থনা করা হয়।

মোনাজাত শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এহসান মাহমুদ বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সংঘটিত গণহত্যা এদেশের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস ও বর্বরতম অধ্যায়। পতনোম্মুখ স্বৈরাচারী শাসক সত্য গোপন করতে লাশ গুম করার মতো জঘন্য অপরাধে লিপ্ত হয়েছিল। 

তিনি জানান, জাদুঘরের চলমান সংগ্রহ ও গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে এই বর্বরোচিত ইতিহাসকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরা হবে।

সম্প্রতি 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬'-এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী সরকার তাকে এই পদে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ করার কথা জানান। পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠে রূপ দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মাদারীপুরে জন্ম নেওয়া ও বরিশালের মুলাদীর সন্তান এহসান মাহমুদ তার সাংবাদিকতা ক্যারিয়ারে দৈনিক সমকাল, দেশ রূপান্তর, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা, মানবজমিন ও নেত্র নিউজসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।
 
সাংবাদিকতার পাশাপাশি সৃজনশীল সাহিত্যেও তার উজ্জ্বল উপস্থিতি রয়েছে। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে উপন্যাস ‘একাত্তরের লালমিয়া’ ও ‘কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল’ এবং কবিতার বই ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’।

—জা. অর্থনীতি/এনজে