পুঁজিবাজারের ভরসা আইসিবি নিজেই অস্তিত্ব সংকটে (ভিডিও)

জাকির হোসাইন, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তারল্য জোগানো ও দরপতন ঠেকানোর ভরসা ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) এখন নিজেই অস্তিত্বের সংকটে। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দুই দফায় ৪ হাজার কোটি টাকার সহায়তা পেয়েও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। গত দুই অর্থবছরে প্রায় ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা লোকসান করেছে রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ সংস্থাটি। টানা দুই বছর লভ্যাংশ দিতে না পারায় শেয়ার নেমেছে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে। সংকট কাটাতে এবার আরও ১০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে আইসিবি। পাশাপাশি চায় ১০ বছরের কর অব্যাহতি ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নীতিসহায়তা। আইসিবির নিজস্ব মূল্যায়নে আর্থিক সংকট ও ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনার এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

 

অথচ সমপর্যায়ের কয়েকটি দেশের সমজাতীয় প্রতিষ্ঠানের তহবিল ভালো ফল দিচ্ছে। পাকিস্তানের ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্টের তহবিল দেশটির প্রধান শেয়ারসূচকের চেয়ে বেশি রিটার্ন দিয়েছে। মালয়েশিয়ার পারমোদালান ন্যাশনাল বেরহাদের সব তহবিলও ভালো করেছে। দায়িত্ব ও কাঠামোয় পার্থক্য থাকলেও এসব অভিজ্ঞতা আইসিবির বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন সামনে আনে। বিশেষজ্ঞের মতে, স্বাধীন নিরীক্ষায় আগের সহায়তার হিসাব প্রকাশ, জবাবদিহি ও কার্যকর সংস্কার ছাড়া নতুন অর্থ দেওয়া উচিত নয়। তা না হলে প্রতিষ্ঠানটির সংকটের দায় বহন করতে গিয়ে করদাতার বোঝা বাড়তেই থাকবে।

সহায়তা পেয়েও কাটেনি সংকট
আইসিবির হিসাবে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৪ শতাংশ সুদে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়। এর মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা দিয়ে উচ্চ সুদের ঋণ পরিশোধ করা হয়। বাকি ১ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয় পুঁজিবাজারে। পরে ২০২৫ সালের নভেম্বরে সরকারের কাছ থেকে আরও ১ হাজার কোটি টাকা পায় প্রতিষ্ঠানটি। আইসিবির দাবি, এই অর্থায়নে সুদ ব্যয় কমেছে। শেয়ার বিক্রি থেকে মূলধনি মুনাফা হয়েছে। পাশাপাশি লভ্যাংশ ও সুদ আয় এসেছে। তবে এসব সুবিধা প্রতিষ্ঠানটিকে লাভে ফেরাতে পারেনি। আগের দায় ও বিনিয়োগের ক্ষতি সামলানোর চাপ রয়ে গেছে।

টানা দুই বছর লভ্যাংশ ঘোষণা না করায় গত বৃহস্পতিবার আইসিবির শেয়ার ‘বি’ থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। একই সঙ্গে শেয়ারটি কেনার জন্য মার্জিন ঋণসুবিধাও বন্ধ হয়েছে। পুঁজিবাজারকে সহায়তা দেওয়ার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানটির নিজের শেয়ারের এই অবস্থান সংকটের গভীরতা তুলে ধরে।

মুনাফা থেকে বড় লোকসান
একসময় ভালো মুনাফা করত আইসিবি। শেয়ারধারীদের নিয়মিত লভ্যাংশও দিত। গত ১০ বছরের আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির সমন্বিত নিট মুনাফা ছিল ৩১৩ কোটি থেকে ৪৬২ কোটি টাকার মধ্যে। এ সময়ে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মুনাফায় বড় ধস নামে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে। ওই বছর তা নেমে আসে ৬০ কোটি টাকায়। পরের কয়েক বছরে কিছুটা ওঠানামা হয়। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মুনাফা কমে দাঁড়ায় ৩২ কোটি ৬৮ লাখ টাকায়। সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে। ওই বছর সমন্বিত নিট লোকসান হয় প্রায় ১ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ১৪ টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি লোকসান কমে হয় ৭ টাকা ৫২ পয়সা। এর ভিত্তিতে মোট লোকসান দাঁড়ায় আনুমানিক ৬৫২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে দুই অর্থবছরে মোট লোকসান প্রায় ১ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ লোকসান কমলেও প্রতিষ্ঠানটি লাভে ফিরতে পারেনি।

আটকে আমানত, কমেছে বিনিয়োগের মূল্য
আইসিবির লোকসানের বড় কারণ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকা আমানতের বিপরীতে সঞ্চিতি সংরক্ষণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ জন্য ৭৯১ কোটি ২৬ লাখ টাকা সঞ্চিতি রাখতে হয়েছে। অবসায়ন প্রক্রিয়ায় থাকা চারটিসহ সংকটাপন্ন ১০টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পদ্মা ব্যাংকে আইসিবির মোট ৯২৮ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মূল্যও ব্যাপকভাবে কমেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে আইসিবির নিজস্ব শেয়ার পোর্টফোলিওর ক্রয়মূল্য ছিল ১৩ হাজার ৫০৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা। বিপরীতে বাজারমূল্য ছিল ৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা। ব্যবধান ছিল ৫ হাজার ২৫২ কোটি ২০ লাখ টাকা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে পোর্টফোলিওর ক্রয়মূল্য ছিল প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। তখন ক্রয়মূল্যের তুলনায় বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা কম ছিল।

এই ব্যবধান বিনিয়োগের মূল্যহ্রাস নির্দেশ করে। তবে পুরো অর্থ শেয়ার বিক্রি করে বাস্তবায়িত লোকসান নয়। বিভিন্ন সময়ে পোর্টফোলিওতে কেনাবেচা হওয়ায় শুধু এই ব্যবধান দিয়ে বিনিয়োগের সামগ্রিক ফলও নির্ধারণ করা যায় না।

সুদের চাপে আয় কমছে
সংকটের পেছনে উচ্চসুদের ঋণ, ক্রমবর্ধমান সুদ ব্যয় ও বিনিয়োগের মূল্যহ্রাসকে চিহ্নিত করেছে আইসিবির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, বিনিয়োগ করা কোম্পানিগুলো থেকে প্রত্যাশিত লভ্যাংশ পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘস্থায়ী মন্দায় শেয়ার বিক্রি থেকে মূলধনি মুনাফাও কমেছে। অন্যদিকে চলতি ও আগের বছরগুলোর বকেয়া সুদ হিসাবভুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন দায় ও বিনিয়োগের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখার চাপও বেড়েছে। এতে আয়-ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ পড়েছে।

ঋণ ও বিনিয়োগের মেয়াদেও অসামঞ্জস্য রয়েছে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাখা মেয়াদোত্তীর্ণ আমানত ফেরত পাওয়া যাচ্ছে না। শ্রেণিকৃত ঋণ আদায়েও সমস্যা হচ্ছে। ফলে সুদ ব্যয় বাড়লেও বিনিয়োগ থেকে আয় কমছে। তারল্য সংকটে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানোও কঠিন হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইসিবি।

নতুন অর্থায়নের দুই প্রস্তাব
সংকট কাটাতে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১০ বছরের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা চায় আইসিবি। অর্থায়ন চাওয়া হয়েছে বিনা সুদে বা স্বল্প সুদে। ঋণ পরিশোধ শুরুর আগে তিন বছরের বিরতিও চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৭ হাজার কোটি টাকা দিয়ে উচ্চসুদের ঋণ পরিশোধ করা হবে। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে পুঁজিবাজারে। এ জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়েছে আইসিবি।

প্রতিষ্ঠানটির হিসাব, এই অর্থায়ন পেলে বছরে প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা সুদ সাশ্রয় হতে পারে। নতুন বিনিয়োগ থেকে আরও প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা আয়ের প্রত্যাশা রয়েছে। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা দেখছে আইসিবি। তবে এটি প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব প্রাক্কলন। অর্থায়নের অনুমোদন বা আয়ের নিশ্চয়তা নয়। সুদ সাশ্রয় ও সম্ভাব্য আয় যোগ করলেই নিট মুনাফা নির্ধারিত হয় না। নতুন ঋণের সুদ, বিনিয়োগের প্রকৃত ফল, সঞ্চিতি ও অন্যান্য ব্যয়ের ওপর চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে।

বিকল্প প্রস্তাবে নতুন করে ৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যমান ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ মূলধনে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন ঋণের অর্ধেক দিয়ে পুরোনো ঋণ পরিশোধ এবং অর্ধেক পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা হবে।

আইসিবির হিসাবে, ঋণ পরিশোধে বছরে ১৯৫ কোটি টাকা এবং মূলধনে রূপান্তরে আরও ৩১৫ কোটি টাকা সুদ সাশ্রয় হবে। নতুন বিনিয়োগ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা আয়ের প্রত্যাশা রয়েছে। তবে ঋণদাতাদের সম্মতি, সরকারি সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনে আইনগত পরিবর্তন ও বিএসইসির অনুমোদন লাগতে পারে। বাস্তবায়ন সময়সাপেক্ষ হওয়ায় প্রথম প্রস্তাবেই জোর দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

কর অব্যাহতি ও নীতিসহায়তাও চায়
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাছে ১০ বছরের কর অব্যাহতি চাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে আইসিবির। পদ্মা ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকা আমানত উদ্ধারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চায়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে ট্রাস্টি, কাস্টডিয়ান ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে নীতিসহায়তা চাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিছু বিধিবিধান থেকে অব্যাহতিও চায়। তবে এসব বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

অন্য দেশের অভিজ্ঞতায় যে প্রশ্ন
পাকিস্তানের ন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্টের প্রধান তহবিল এনআইইউটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬২ দশমিক ৫৭ শতাংশ রিটার্ন দিয়েছে। কেএসই-১০০ সূচকের রিটার্ন ছিল ৬০ দশমিক ১৫ শতাংশ। তবে প্রকাশিত ১০ বছরের বার্ষিক গড় রিটার্নে তহবিলটি পিছিয়ে ছিল। তহবিলের রিটার্ন ছিল ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, সূচকের ১৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

মালয়েশিয়ার পারমোদালান ন্যাশনাল বেরহাদ (পিএনবি) জানিয়েছে, ২০২৪ সালে তাদের ১৮টি তহবিলই নিজ নিজ মানদণ্ডের চেয়ে ভালো করেছে। ওই বছর ইউনিটধারীদের আয় ও বোনাস বাবদ বিতরণ করেছে ১ হাজার ৪৫০ কোটি রিঙ্গিত।

তবে তহবিলের রিটার্নের সঙ্গে আইসিবির সমন্বিত লোকসানের সরাসরি তুলনা চলে না। প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব, আকার ও অর্থায়নের ধরন আলাদা। ইউনিটধারীদের আয় বিতরণ ও কোম্পানির শেয়ারধারীদের লভ্যাংশও এক বিষয় নয়।

তাই আইসিবির নিজস্ব বিনিয়োগ ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের তহবিল পৃথকভাবে মূল্যায়ন প্রয়োজন। বাজারের তুলনায় তিন, পাঁচ ও ১০ বছরের ফল যাচাই করা জরুরি। পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়, ঋণের সুদ, সম্পদের মান ও সঞ্চিতির পর্যাপ্ততা দেখা দরকার। পুঁজিবাজারকে সহায়তার ব্যয় এবং দুর্বল বিনিয়োগের ক্ষতিও আলাদা করা প্রয়োজন।

নতুন অর্থায়নের আগে জবাবদিহি
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ফাহমিদা খাতুন বলেন, ঋণ সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। কিন্তু দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের দায় করদাতাকেই বহন করতে হবে। সরকারি সহায়তা হতে হবে শেষ বিকল্প। তা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, সময়সীমা ও কঠোর শর্তের মধ্যে রাখতে হবে।

তার মতে, স্বাধীন নিরীক্ষায় আগের অর্থের হিসাব প্রকাশ এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগ ও ঋণ আদায়ে সংস্কারের পাশাপাশি পরিমাপযোগ্য পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা প্রয়োজন। এসব ছাড়া নতুন অর্থ দেওয়া উচিত নয়। ফাহমিদা খাতুন বলেন, আইসিবিকে আয়, সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন উন্নত করে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। লোকসান হলেই সরকারি অর্থ পাওয়ার প্রত্যাশা আর্থিক শৃঙ্খলা নষ্ট করবে। অন্য প্রতিষ্ঠানও একই দাবি করার সুযোগ পাবে।

সুদ ব্যয় কমলে উন্নতির আশা
আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ জাতীয় অর্থনীতিকে বলেন, ঋণের সুদ ব্যয় কমানো গেলে আর্থিক অবস্থার উন্নতি সম্ভব। মূলধন কাঠামো পুনর্গঠন ও পরিচালন কার্যক্রমেও উন্নতি প্রয়োজন। সরকারের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকা অর্থায়নের আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। তার দাবি, পুঁজিবাজারকে সহায়তা দিতে গিয়ে আইসিবি সংকটে পড়েছে। এ বিবেচনায় কর অব্যাহতি ও নীতিসহায়তা চাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

অতীতের ভুল সিদ্ধান্ত বা অনিয়ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরাসরি মন্তব্য করা কঠিন। ২০১০ সালের পর থেকে আর্থিক দুর্বলতা দেখা দেয়। বড় দরপতনও গুরুত্বপূর্ণ কারণ। অতীতের সিদ্ধান্ত মূল্যায়নে তৎকালীন প্রেক্ষাপট বিবেচনা করতে হবে। তিনি জানান, আটকে থাকা আমানত উদ্ধারে চেষ্টা চলছে। তবে সরকার, বিএসইসি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা প্রয়োজন।