মুহাম্মাদ মাছুদুর রহমান: রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার অস্ত্রভাণ্ডার নয়; রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আইনের প্রতি মানুষের আস্থা। নাগরিক যখন বিশ্বাস করেন—তিনি সাধারণ মানুষ হলেও আইন তাকে রক্ষা করবে, আবার ক্ষমতাবান হলেও অপরাধ করলে আইন তাকে ছাড় দেবে না— তখনই রাষ্ট্রের ভিত শক্ত হয়। আর যখন মানুষের মনে এই ধারণা জন্ম নেয় যে, রাজনৈতিক পরিচয়, অর্থ, প্রভাব কিংবা ক্ষমতার কারণে কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে, তখন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান দুর্বল হয়ে পড়ে, ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা নষ্ট হয় এবং অপরাধীরা উৎসাহিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতায় তাই আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনের প্রশ্নটি কেবল প্রশাসনিক বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের নৈতিক ভিত্তির প্রশ্ন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি স্পষ্টভাবে বলেছেন, তার সরকার সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করবে এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে। একইসঙ্গে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তি কিংবা জোর-জবরদস্তি নয়, আইনের শাসনই রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি—তার বক্তব্যে এই বার্তাই গুরুত্ব পেয়েছে। এই বক্তব্যের তাৎপর্য এখন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও দখলচেষ্টার অভিযোগকে ঘিরে নেওয়া পদক্ষেপে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামনে আসার পর বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। শুধু তা-ই নয়, একই সময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, মহানগর উত্তর যুবদল এবং মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। রাড্ডার ঘটনার পর পরই এসব কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত সামনে আসায় রাজনৈতিক ও জনপরিসরে এর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই ঘটনাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— রাজনৈতিক পরিচয় যেন কোনো ব্যক্তিকে জবাবদিহির বাইরে থাকার সুযোগ না দেয়, সেই বার্তাটি আরও জোরালো হয়েছে। একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলে তার সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে— এটাই আইনের স্বাভাবিক পথ। কিন্তু একইসঙ্গে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নৈতিক ও রাজনৈতিক জবাবদিহির প্রশ্নও থাকে। সেই জায়গা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক-প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। রাষ্ট্রের নাগরিক নিরাপত্তা শুধু পুলিশি তৎপরতা দিয়ে নিশ্চিত করা যায় না। নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ন্যায়বিচার, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত প্রতিষ্ঠান এবং অপরাধের দ্রুত ও যথাযথ বিচার। একটি দেশে অপরাধ দমনের জন্য আইন যতই কঠোর হোক, তার প্রয়োগ যদি নির্বাচিত বা পক্ষপাতদুষ্ট হয়, তাহলে সেই কঠোরতা কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।
অপরাধ দমনে প্রয়োজন দৃঢ়তা, কিন্তু সেই দৃঢ়তার ভিত্তি হতে হবে আইন। রাড্ডার ঘটনা সেই জায়গায় একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সামনে আনে। রাজনৈতিক দলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অনৈতিকতা, দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি, হামলা কিংবা অন্য কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলে দলীয় পরিচয় দিয়ে সেটিকে আড়াল করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। কারণ রাজনৈতিক সংগঠন রাষ্ট্রের বিকল্প নয়। দলীয় পদ একজন ব্যক্তিকে রাজনৈতিক দায়িত্ব দিতে পারে, কিন্তু আইনের ঊর্ধ্বে স্থান দিতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ দিকটি এখানেই— অপরাধ দমনের প্রশ্নকে তিনি আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্র পরিচালনার বৃহত্তর কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেছেন। জুয়া ও মাদকের বিস্তার, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব, নারী ও শিশু নির্যাতন, মানব পাচার, অর্থপাচার কিংবা সংঘবদ্ধ অপরাধ— এসব কোনো বিচ্ছিন্ন সমস্যা নয়। এগুলোর সঙ্গে অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং জনজীবনের স্বাভাবিকতা সরাসরি সম্পর্কিত। একজন ব্যবসায়ী যখন চাঁদাবাজির ভয়ে বিনিয়োগ করতে পারেন না, একজন তরুণ যখন মাদকের বিস্তারে বিপথগামী হন, একজন নারী যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন কিংবা একজন সাধারণ নাগরিক যখন থানায় গিয়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার ব্যাপারে সংশয়ে থাকেন, তখন সমস্যাটি শুধু আইনশৃঙ্খলার থাকে না; তা রাষ্ট্রের সক্ষমতার প্রশ্নে পরিণত হয়। তাই অপরাধের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানকে কার্যকর করতে হলে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না। অপরাধের উৎস, অর্থের জোগান, রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী আশ্রয়, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং বিচারিক দীর্ঘসূত্রতাকেও একসঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে। বিশেষ করে সংঘবদ্ধ অপরাধের ক্ষেত্রে অর্থের প্রবাহ বন্ধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখল কিংবা অবৈধ বাণিজ্য— প্রতিটি ক্ষেত্রেই অর্থনৈতিক স্বার্থ থাকে। সেই অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও বিচ্ছিন্ন করতে না পারলে অপরাধী বদলাবে, কিন্তু অপরাধের কাঠামো থেকে যাবে।দুর্নীতির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দুর্নীতি কেবল ঘুষ নেওয়া বা সরকারি অর্থ আত্মসাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সরকারি ক্রয়ে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, অবৈধ প্রভাব বিস্তার, অর্থ পাচার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়— সবই দুর্নীতির বৃহত্তর কাঠামোর অংশ। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করাই হবে বড় পরীক্ষা। এখানে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবে কথার সঙ্গে কাজের সামঞ্জস্য।
রাড্ডা ঘটনার ক্ষেত্রে একজন দলীয় সংসদ সদস্যের পদত্যাগের নির্দেশ এবং একই সময়ে দল ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা অন্তত একটি বিষয় সামনে এনেছে— অভিযোগ উঠলে রাজনৈতিক পরিচয়কে জবাবদিহির ঢাল হিসেবে ব্যবহার না করার প্রত্যাশা। তবে চূড়ান্তভাবে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না, কার দায় কতটুকু— তা অবশ্যই তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হতে হবে। এ ভারসাম্য রক্ষা করাই আইনের শাসনের প্রকৃত পরীক্ষা। কারণ কঠোরতা আর ন্যায়বিচার এক জিনিস নয়। কঠোর রাষ্ট্র মানেই যথেচ্ছ রাষ্ট্র নয়। বরং প্রকৃত কঠোরতা হলো— আইন ভঙ্গকারী যত প্রভাবশালীই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা; আবার অভিযোগের ভিত্তিতে নিরপরাধ কাউকে শাস্তি না দেওয়া। তদন্ত, প্রমাণ, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং বিচারিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করেই শাস্তি দিতে হবে। রাষ্ট্র অপরাধীকে শাস্তি দেবে, কিন্তু একইসঙ্গে নিরপরাধ নাগরিককেও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে রক্ষা করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সদিচ্ছা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে অপরাধ দমন কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করতে পারে না। পুলিশ, প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন সংস্থা, আর্থিক গোয়েন্দা কাঠামো এবং স্থানীয় প্রশাসন— প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে। ব্যক্তিনির্ভর শাসনের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠাননির্ভর শাসনই আইনের শাসনের স্থায়ী ভিত্তি। তারেক রহমানের বক্তব্যে ‘সবার অধিকার সমান’— এই ধারণাটিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যারা সরকারকে সমর্থন করেন এবং যারা করেন না, উভয়ের নাগরিক অধিকার সমান। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য এটাই স্বাভাবিক নীতি। কারণ সরকার কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়; সরকার রাষ্ট্রের এবং রাষ্ট্রের নাগরিকের। ঘোষিত নীতি বাস্তবায়নের পথ অবশ্য সহজ নয়। অপরাধী চক্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক স্বার্থ, স্থানীয় প্রভাব, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং রাজনৈতিক যোগাযোগ জড়িয়ে থাকতে পারে। ফলে অপরাধ দমনে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানো, ডিজিটাল ফরেনসিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, আর্থিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ করা এবং তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে দক্ষ করা জরুরি। আধুনিক অপরাধের বিরুদ্ধে আধুনিক রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ছাড়া টেকসই সাফল্য সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চায় যেখানে রাতে নিশ্চিন্তে ঘরে ফেরা যায়, ব্যবসা করতে চাঁদা দিতে হয় না, সরকারি সেবা পেতে ঘুষ দিতে হয় না, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ বিশেষ সুবিধা পায় না এবং অপরাধ করলে পরিচয় নয়, অপরাধের গুরুত্বই বিবেচিত হয়। এই প্রত্যাশা কোনো দলের একার নয়; এটি প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য প্রত্যাশা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং রাড্ডা ঘটনার পর নেওয়া পদক্ষেপ তাই সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষার সূচনা করেছে। এখন প্রয়োজন বক্তব্য থেকে কর্মপরিকল্পনা, কর্মপরিকল্পনা থেকে প্রতিষ্ঠানগত পরিবর্তন এবং প্রতিষ্ঠানগত পরিবর্তন থেকে দৃশ্যমান ফল।
জনগণ শেষ পর্যন্ত বক্তব্যের চেয়ে ফলাফলই দেখতে চাইবে। রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা পুনর্গঠনের সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো ন্যায়সঙ্গত আইন প্রয়োগ। সেখানে অপরাধীর পরিচয় গুরুত্বপূর্ণ নয়, অপরাধই হবে মূল বিষয়; ক্ষমতার অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ নয়, আইনের অবস্থানই হবে সর্বোচ্চ। কোনো রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি যদি অপরাধ করেন, তার রাজনৈতিক পরিচয় যেন তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত না করে— এই নীতি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। বাংলাদেশের সামনে তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ— কঠোরতা ও ন্যায়বিচারকে একই রাষ্ট্রীয় নীতির দুই দিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। অপরাধের বিরুদ্ধে দৃঢ়তা থাকবে, কিন্তু তা হবে আইনের কাঠামোর মধ্যে; দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান থাকবে, কিন্তু তা হবে পরিচয়-নিরপেক্ষ; রাজনৈতিক সরকার থাকবে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে বিধিবদ্ধ নিয়মে। রাড্ডার ঘটনার পর এমপির পদত্যাগ এবং দলীয় পর্যায়ে নেওয়া সাংগঠনিক পদক্ষেপগুলোকে যদি একটি বৃহত্তর নীতির অংশ হিসেবে দেখা হয়, তবে সেই নীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে ভবিষ্যতের প্রতিটি ঘটনায় একই মানদণ্ড প্রয়োগ করা। আজ যে মানদণ্ড একজনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আগামীকাল সেটিই যেন অন্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়। কারণ আইনের শাসনের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো—আইন ব্যক্তি দেখে বদলায় না। শেষ পর্যন্ত একটি সরকারের সাফল্যের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে সাধারণ নাগরিক কতটা নিরাপদ, কতটা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন এবং আইনের কাছে সবাই কতটা সমান— তার ওপর। অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধই যদি বিচারের মাপকাঠি হয়; ক্ষমতার প্রভাব নয়, আইনই যদি রাষ্ট্রের শেষ কথা হয়— তবেই আইনের শাসনের প্রকৃত অর্থ প্রতিষ্ঠিত হবে। আর সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজেরও। কারণ নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ কোনো একক রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বিষয় নয়— এটি রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজন এবং প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য প্রত্যাশা।
পিএইচডি গবেষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়