বাংলাদেশে থাকলে কোন খাতে বিনিয়োগ করতেন ইলন মাস্ক? (ভিডিও)
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক:

 

ইলন মাস্ক যদি বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করতেন, তাহলে কোন খাতে হাত দিতেন? সৌরবিদ্যুৎ, নাকি ইন্টারনেট, নাকি ফিনটেক? চলুন একটা মজার কিন্তু বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণ করা যাক।

ইলন মাস্কের ব্যবসায়িক প্যাটার্ন দেখলে বোঝা যায়, তিনি সবসময় এমন খাত বেছে নেন যেখানে বড় সমস্যা আছে, কিন্তু সমাধানের প্রযুক্তি এখনো পুরোপুরি ব্যবহার হয়নি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশে তার সবচেয়ে বেশি আগ্রহের জায়গা হতে পারে সৌরবিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংরক্ষণ, কারণ টেসলার এনার্জি ডিভিশনের অভিজ্ঞতা আর বাংলাদেশের ঘন ঘন লোডশেডিং সমস্যা মিলিয়ে এখানে একটা বড় বাজার তৈরি হতে পারে।

দ্বিতীয় সম্ভাব্য খাত হলো ইন্টারনেট সংযোগ, যা ইতিমধ্যে বাস্তবে ঘটেও গেছে। স্পেসএক্সের স্টারলিংক এখন বাংলাদেশে সরাসরি সেবা দিচ্ছে, বিশেষ করে দুর্গম আর দ্বীপাঞ্চলে, যেখানে ফাইবার ইন্টারনেট পৌঁছায়নি।

তৃতীয় সম্ভাবনা হতে পারে ফিনটেক খাত, কারণ মাস্কের প্রথম বড় সাফল্য এসেছিল পেপ্যালের মাধ্যমে, আর বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যাপক প্রসার এই খাতে তার আগ্রহ তৈরি করতে পারত।

তবে ইলেকট্রিক গাড়ির বাজারে বাংলাদেশে সহসা বিনিয়োগ করার সম্ভাবনা কম, কারণ এখানে চার্জিং অবকাঠামো এখনো অনেক পিছিয়ে। বরং বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল বাজারে মাস্কের কৌশল হতো এমন প্রযুক্তি নিয়ে আসা, যা প্রচলিত অবকাঠামো এড়িয়ে সরাসরি সমাধান দেয়, যেমনটা স্টারলিংক ইতিমধ্যে করে দেখাচ্ছে।

সৌরবিদ্যুৎ নাকি ইন্টারনেট, কোনটা বেছে নিতেন?

ইলন মাস্ক যদি বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করতেন, তাহলে কোন খাতে হাত দিতেন? সৌরবিদ্যুৎ, নাকি ইন্টারনেট, নাকি ফিনটেক? চলুন একটা মজার কিন্তু বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণ করা যাক।

মাস্ক সবসময় বেছে নেন এমন খাত, যেখানে বড় সমস্যা আছে কিন্তু সমাধান নেই। বাংলাদেশে তার সবচেয়ে বড় আগ্রহ হতে পারত সৌরবিদ্যুৎ আর জ্বালানি সংরক্ষণে, কারণ লোডশেডিং একটা বড় সমস্যা। দ্বিতীয় খাত ইন্টারনেট সংযোগ, যা ইতিমধ্যে বাস্তব হয়েছে স্টারলিংকের মাধ্যমে, বিশেষ করে দুর্গম এলাকায়। তৃতীয় সম্ভাবনা ফিনটেক, কারণ তার প্রথম সাফল্য এসেছিল পেপ্যাল দিয়েই, আর বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিশাল বাজার আছে। তবে ইলেকট্রিক গাড়িতে সহসা আগ্রহ দেখাতেন না, কারণ চার্জিং অবকাঠামো এখনো পিছিয়ে। মোট কথা, প্রচলিত অবকাঠামো এড়িয়ে সরাসরি সমাধান দেওয়াই হতো তার আসল কৌশল।  

—জা. অর্থনীতি/এলএটি