অনলাইন ডেস্ক: রাসায়নের দীর্ঘদিনের এক জটিল রহস্যের সমাধান কীভাবে বদলে দিতে পারে বিজ্ঞানের ধারণা? এবার সেই রহস্যের সমাধানে অবদানের স্বীকৃতি পেলেন ফ্রান্স ও জাপানের দুই বিজ্ঞানী। অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণ ও অটোক্যাটালাইসিস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে এ বছরের রসায়নে নোবেল পুরস্কার। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টার দিকে তাদের নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের পক্ষ থেকে দুই বিজ্ঞানীকে ফোন করে এই সম্মাননার কথা জানানো হয়।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার প্রভাব এবং অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য হেনরি কাগান ও কেনসো সোয়াইকে রসায়নে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
নোবেল কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো কিছু অণু দুটি ভিন্ন রূপে থাকে। এই দুই রূপ একে অপরের প্রতিবিম্বের মতো। তবে জীবদেহে এসব অণুর কেবল একটি রূপই দেখা যায়।
রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় এই ধরনের বিষমতা কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তা দীর্ঘদিন ধরে রসায়নবিদদের কাছে একটি জটিল রহস্য ছিল। একই ধরনের অণুর দুটি প্রতিবিম্ব রূপ থাকলেও জীবদেহে কেন কেবল একটি রূপ পাওয়া যায়, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা চলেছে।
নোবেল কমিটি জানিয়েছে, এই জটিল রহস্য সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই।
তাদের গবেষণার স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে রসায়নে অণুর গঠন ও রাসায়নিক প্রক্রিয়ার এই বিশেষ বৈশিষ্ট্য নিয়ে দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান নতুনভাবে গুরুত্ব পেল।
দুই বিজ্ঞানীর আবিষ্কারে রসায়নের পুরোনো রহস্যের সমাধান
এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি কাগান ও জাপানি বিজ্ঞানী কেনসো সোয়াই। অ্যাসিমেট্রিক জৈব সংশ্লেষণে নন-লিনিয়ার প্রভাব এবং অটোক্যাটালাইসিস আবিষ্কারের জন্য তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো কিছু অণু দুটি প্রতিবিম্ব রূপে থাকলেও জীবদেহে কেন কেবল একটি রূপ পাওয়া যায়, তা দীর্ঘদিনের রহস্য ছিল। এই জটিল রহস্য সমাধানে অবদানের স্বীকৃতিতেই নোবেল পেলেন দুই বিজ্ঞানী।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি