আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইমান সাফাদি বলেছেন, ইসরায়েলি সরকারের নীতি ও পদক্ষেপের কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত ও দুর্ভোগের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরায়েলি সরকারের ‘বেআইনি নীতি ও পদক্ষেপ’ বিশ্ববাসীর সামনে স্পষ্ট হয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন সাফাদি।
সাফাদি বলেন, শিশু হত্যা, স্কুল ধ্বংস এবং বেসামরিক মানুষকে অনাহারে রাখার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে প্রতিবাদী কণ্ঠ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। একই সময়ে ইসরায়েলের সমর্থকেরা ইতিহাস বিকৃত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো ব্যক্তিদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, ইসরায়েলের এসব পক্ষ জাতিসংঘ, মানবিক সহায়তা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক নেতাদেরও লক্ষ্যবস্তু করছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলি দখলদারত্বের ‘অমানবিকতা’ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে জর্ডান কাজ চালিয়ে যাবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলের সম্প্রসারণবাদ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগও অব্যাহত রাখবে দেশটি।
সাফাদি আরও বলেন, ইসরায়েলি সরকার পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎকে সংঘাত ও দুর্ভোগের কাছে ‘জিম্মি’ করে রেখেছে।
তার দাবি, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন, ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর অবিচার, নিপীড়ন ও বঞ্চনা এবং আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেওয়ার জন্য ইসরায়েলি সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
সাফাদি বলেন, এসব সংঘাত শুধু মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্যও হুমকি তৈরি করছে।
জা.অর্থনীতি/এসআই