২৭তম বিসিএসে আরও ৭৭ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন

অনলাইন ডেস্ক: ২৭তম বিসিএস (২০০৫) পরীক্ষার প্রথম পর্যায়ের অতিরিক্ত ৭৭ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রোববার (৫ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ২২ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ৬০ টাকা বেতনক্রমে এসব প্রার্থীকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) বিভিন্ন ক্যাডারের প্রবেশ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) অথবা সরকার নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারভিত্তিক পেশাগত ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণও সম্পন্ন করতে হবে।

এছাড়া তাদের দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এ মেয়াদ আরও দুই বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ, বিভাগীয় পরীক্ষা এবং শিক্ষানবিশকাল সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করার পর কর্মকর্তাদের চাকরি স্থায়ী করা হবে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের পূর্বে নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা ও বন্ড দাখিল করতে হবে।

শিক্ষানবিশকাল চলাকালে অথবা চাকরি স্থায়ীকরণের পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে পদত্যাগ করলে প্রশিক্ষণ ব্যয় সরকারকে ফেরত দিতে হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৪ জন, সমবায় ক্যাডারে ৪ জন, খাদ্য ক্যাডারে ১ জন, পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে ১ জন, পুলিশ ক্যাডারে ২ জন, কৃষি ক্যাডারে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হিসেবে ১৪ জন এবং সহকারী পরিচালক (বীজ প্রত্যয়ন) পদে ১ জন রয়েছেন।

এছাড়া স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে ৭ জন, টেলিযোগাযোগ ক্যাডারে সহকারী বিভাগীয় প্রকৌশলী/সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে ২০ জন, রেলওয়ে প্রকৌশল ক্যাডারে ১ জন, গণপূর্ত ক্যাডারে ১ জন এবং মৎস্য ক্যাডারে ১ জন নিয়োগ পেয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, বাংলা, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, আরবি ও ইসলামি শিক্ষা এবং হাদিস।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তা চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছা হিসেবে গণ্য হবে এবং নিয়োগ আদেশ বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের বিবরণী দাখিল করতে হবে এবং সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সম্পদের হালনাগাদ বিবরণী জমা দিতে হবে।

এছাড়া যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান না করার অঙ্গীকার করে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ড সম্পাদনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এ প্রজ্ঞাপন জনস্বার্থে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

জা.অর্থনীতি/এসআই