তাড়াইলে রক্তাক্ত হামলা: ইউপি সদস্যসহ আসামি ৮
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

জাতীয় অর্থনীতি সারাবাংলা: কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের দেশীয় অস্ত্রের হামলায় একটি পরিবারের দুজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপরজনকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে তাড়াইল থানায় মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাড়াইল থানায় নিয়মিত মামলা (মামলা নম্বর: ৫) রুজু করা হয়েছে। এর গত সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের মোড়ারকান্দি-মেছগাঁও গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন- মেছগাঁও গ্রামের চাঁনফর আলীর ছেলে কামাল উদ্দিন (৫৫) এবং জামাল উদ্দিনের ছেলে জলক মিয়া (২১)।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিপক্ষের লোকেরা ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কামাল উদ্দিনের বাম পায়ের রগ কেটে দেয়। একই সময়ে জলক মিয়াকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মাথায় গুরুতর জখম করা হয়।

তাড়াইল থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাউতি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হলুদ মিয়া (৪০), আশরাফুল (৪৫), মহন (২৬), সুমন মিয়া (৩৩), লিমন মিয়া (১৯), বাবু মিয়া, আনু মিয়া এবং আমিন মিয়া (৪৫)-সহ একদল লোক রামদা ও কিরিচ নিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালান। এতে কামাল উদ্দিন ও জলক মিয়া মারাত্মক রক্তাক্ত আহত হন।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ঢাকার দুটি বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে হারুনা বেগম বাদী হয়ে গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি