রান্নাঘর ঝাড়ু দিচ্ছিলেন, তখনই ফোন পেলেন নোবেল জয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জয়ের খবর যখন তাঁর কাছে পৌঁছায়, তখন রান্নাঘরের মেঝে পরিষ্কার করছিলেন লেখক অ্যান কারসন। ফোন বেজে চললেও তা ধরছিলেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত তাঁর স্বামীর উদ্যোগেই পুরস্কার জয়ের খবর জানতে পারেন কানাডীয় এই লেখক।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে সুইডিশ একাডেমি। সমকালীন সাহিত্যের সীমানা নতুনভাবে নির্মাণে ভূমিকা রাখা তাঁর ‘সাহসী ও উদ্ভাবনী সাহিত্যকর্মের’ স্বীকৃতি হিসেবে কারসনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কার ঘোষণার কিছুক্ষণ পর নোবেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপকালে কারসন জানান, রেইকিয়াভিকের বাড়িতে রান্নাঘরের মেঝে ঝাড়ু দিচ্ছিলেন তিনি। ফোনের পর ফোন আসছিল, কিন্তু তিনি সেগুলো বন্ধ করে দিচ্ছিলেন। ফোন বেজে উঠলে সাধারণত তিনি তা বন্ধ করে দেন বলে জানান কারসন।

এ সময় তাঁর স্বামী কথোপকথনে যোগ দিয়ে বলেন, তিনিই কারসনকে ফোনের উত্তর দিতে এবং পরে আবার যোগাযোগ করতে উৎসাহিত করেছেন। স্বামীর কথায় সম্মতি জানিয়ে কারসন বলেন, বিষয়টি তাঁর কাছে কিছুটা অবাস্তব মনে হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘আপনাদের সবাইকে একটু পাগল মনে হচ্ছে।’

নোবেল পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যয় করবেন, এমন প্রশ্নে কারসন জানান, তাঁরা ইতিমধ্যে অর্থ দান করার উপায় নিয়ে ভাবছেন। তাঁদের এক বন্ধুর একটি বাড়ি প্রয়োজন। এ ছাড়া তাঁরা নিয়মিত আন্তর্জাতিক চিকিৎসাসেবা সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্সকে অনুদান দেন।

১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া কারসনের লেখায় কবিতা, গদ্য ও প্রবন্ধের পাশাপাশি প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য ও পুরাণের নানা বিষয় উঠে এসেছে। তিনি ধ্রুপদি সাহিত্য বিষয়ে অধ্যাপনার সঙ্গেও যুক্ত।

জা.অর্থনীতি/এসআই