আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ মনগড়া নয়: দুদক
ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: অভিযোগগুলো কি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা, নাকি এর পেছনে আছে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য? সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে এখন এমন প্রশ্নই সামনে। দুদক বলছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী ধাপে যাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিদেশেও তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। 

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন: দুদক। 

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব সাইদুর রহমান খান বলেছিলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী ধাপে যাওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান ও তদন্ত এখনো চলমান। চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। 
বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে তথ্য চেয়ে এমএলআর বা মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স রিকোয়েস্ট পাঠানো হবে বলেও জানান দুদক সচিব। 

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নিয়োগ-পদায়ন, বদলি ও পদোন্নতিতে অর্থ লেনদেন, টেন্ডারে কমিশন এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ। সবচেয়ে বড় অভিযোগ, চার দেশে মোট ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার। অভিযোগে দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচারের কথা বলা হয়েছে। 
এর আগে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আসিফ মাহমুদের দায়িত্বকালীন নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলির বিভিন্ন নথি তলব করে দুদক। তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি দুদকের অনুসন্ধানকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর অংশ বলে অভিযোগ করেছেন। 
এদিকে, দুদক বলছে, অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নিয়ে সিদ্ধান্তে যাওয়ার সুযোগ নেই। প্রাপ্ত তথ্য ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

অভিযোগগুলো কি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা, নাকি এর পেছনে আছে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য? সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে এখন এমন প্রশ্নই সামনে। দুদক বলছে, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী ধাপে যাওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে বিদেশেও তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠানোর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। 

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান করছে দুদক। সংস্থাটির সচিব বলেছেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী ধাপে যাওয়া হয়েছে। বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছে এমএলআর পাঠানো হবে। অভিযোগে চার দেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারসহ নিয়োগ, পদায়ন, টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে। তবে, সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসিফ মাহমুদ। দুদক বলছে, অনুসন্ধান শেষ হওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।  

 

—জা. অর্থনীতি/এলএটি