গণিতে শতভাগ নম্বর: মেধা ও পরিশ্রমের উদাহরণ হিলির মূর্তাজা
ছবি: সংগৃহীত

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: গণিতের খাতায় একটিও ভুল নেই—অর্জন করেছে শতভাগ নম্বর। সব বিষয় মিলিয়ে ফলাফল জিপিএ-৫। মেধা, অধ্যবসায় ও নিয়মিত অনুশীলনের এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সবার নজর কেড়েছে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি পাবলিক স্কুলের মেধাবী শিক্ষার্থী মূর্তাজা হাসান।

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মূর্তাজার এই সাফল্যে আনন্দের বন্যা বইছে পরিবার, বিদ্যালয় ও স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে। বিশেষত গণিতে পূর্ণ নম্বর পাওয়ায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি উৎসাহ।

মূর্তাজার এই ফলাফলে গর্বিত তার পরিবার। পরিবার জানায়, পরীক্ষার আগের কয়েক মাসের প্রস্তুতি নয়, দীর্ঘদিনের নিয়মিত পড়াশোনা ও অনুশীলনই ছিল মূর্তাজার সাফল্যের মূল হাতিয়ার। 

সুই-সুতা থেকে বিশ্ববাজার, ই-কমার্সে স্বাবলম্বী ফরিদপুরের নারীরা

বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভাষ্যে, মূর্তাজার এই ফলাফল হঠাৎ পাওয়া কোনো সাফল্য নয়। পড়াশোনায় মনোযোগ, সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার ফলেই এসেছে এই অর্জন। গণিতে শতভাগ নম্বর তার মেধা ও প্রস্তুতির গভীরতারই প্রমাণ।

শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা, এসএসসির এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষায়ও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবে সে।

হিলি পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ এএফএম রাফেউল ইসলাম বলেন, মূর্তাজা হাসানের এই অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। গণিতে ১০০-তে ১০০ এবং সামগ্রিকভাবে জিপিএ-৫ অর্জন তার কঠোর পরিশ্রমের প্রতিফলন। তার এই সাফল্য প্রতিষ্ঠানের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও সে ভালো ফলাফল করে দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করবে।

উপজেলা অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসন, স্বস্তিতে এলাকাবাসী

গণিতে শতভাগ নম্বর আর সামগ্রিক ফলাফলে জিপিএ-৫—মূর্তাজা হাসানের এই অর্জন যেন বলে দেয়, সাফল্যের কোনো শর্টকাট নেই; নিয়মিত পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস আর সঠিক দিকনির্দেশনাই পারে স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে।

—জা. অর্থনীতি/এনজে