অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীতে যানজট ও ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ন্ত্রণে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা নির্দিষ্ট এলাকাতেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।
তিনি জানান, এক এলাকার ব্যাটারিচালিত রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে চলাচল করতে পারবে না। যেমন ডেমরা এলাকার রিকশা নিউ মার্কেট এলাকায় কিংবা কেরানীগঞ্জের রিকশা ঢাকার ভেতরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করতে পারবে না। একইভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার রিকশাও দক্ষিণ সিটিতে ইচ্ছামতো চলাচল করতে পারবে না।
নির্দিষ্ট সড়ক ও নির্দিষ্ট দিনে রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ থাকবে। পাশাপাশি নিবন্ধন ও লাইসেন্স ছাড়া ঢাকায় কোনো রিকশা চালানো যাবে না বলে জানিয়েছেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
আব্দুস সালাম বলেন, সম্প্রতি ব্যাটারিচালিত রিকশার অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ও ট্রাফিক আইন অমান্যের কারণে রাজধানীর যানজট বেড়েছে। লাইসেন্স ব্যবস্থার মাধ্যমে রিকশা চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ব্যাটারিচালিত রিকশা নাগরিকদের জন্য মরণ ফাঁদ: ডিএসসিসি প্রশাসক
এদিকে দেশের সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনের জন্য সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি জানান, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯’ এবং ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর ভিত্তিতে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় এ নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় সরকারের অধীনে একটি নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করা হবে।
নীতিমালার মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা, যানজট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ ছাড়া যত্রতত্র বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানামা বন্ধে নির্দিষ্ট বাসস্টপেজ চালুর কাজও চলছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ডিএসসিসি প্রশাসক।
—জা.অর্থনীতি/আরএস