নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল এবং ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলমান বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে পটুয়াখালীতে ১৮৭ মিলিমিটার এবং মুন্সিগঞ্জের ভাগ্যকুলে ১৭২ মিলিমিটার।
এ ছাড়া ঢাকায় ১৩৫ মিলিমিটার, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারে ১৩০ মিলিমিটার, নরসিংদীতে ১২৪ মিলিমিটার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২০ মিলিমিটার, ফরিদপুরে ১১৮ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৫ মিলিমিটার, টেকনাফে ১১৩ মিলিমিটার, সিলেটের জাফলংয়ে ১০৯ মিলিমিটার, চট্টগ্রামে ১০৫ মিলিমিটার এবং খুলনায় ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এছাড়া পাবনায় ৯৬ মিলিমিটার, নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ৮৩ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের লরেরগড়ে ৭৮ মিলিমিটার, সিলেটের লাটুতে ৭৮ মিলিমিটার, নেত্রকোনার জারিয়াজাঞ্জাইলে ৭৩ মিলিমিটার, ফেনীর পরশুরামে ৬৮ মিলিমিটার, নোয়াখালীতে ৬৪ মিলিমিটার, মাদারীপুরে ৬২ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের মহেশখোলায় ৫৮ মিলিমিটার এবং মৌলভীবাজারের দক্ষিণবাগে ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
দেশের উজানেও ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। ভারতের মেঘালয়ের আর. কে. এম. সোহরায় ১৬৮ মিলিমিটার, আসামের গোহাটিতে ১২০ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ১০০ মিলিমিটার, রাতাচেরায় ৮০ মিলিমিটার, মাওফালংয়ে ৭৮ মিলিমিটার এবং ত্রিপুরার বেলোনিয়ায় ৬৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের অভ্যন্তরে এবং উজানে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ