নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি জুন মাসের শুরুতে দেশে প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাসের প্রথম ছয় দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৮ কোটি ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.৭৮ শতাংশ কম।
গত বছরের জুন মাসের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৮৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের বেশি। সেই তুলনায় এবার প্রবাহ কমে যাওয়ায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
তবে তারা মনে করছেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে মে মাসেই অনেক প্রবাসী আগাম অর্থ পাঠিয়ে থাকায় জুনের শুরুতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
যদিও জুনের প্রথম কয়েক দিনের চিত্র নেতিবাচক, তবু সামগ্রিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ এখনও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। সদ্য সমাপ্ত মে মাসে দেশে ৩.৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহও গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, মাসের শুরুতে প্রাপ্ত তথ্য দিয়ে পুরো মাসের প্রবণতা নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। জুন মাসের বাকি সময়ের প্রবাহের ওপরই নির্ভর করবে মাস শেষে মোট রেমিট্যান্সের চিত্র।
২০২৫ সালের জুলাই থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৩৩.৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২৮.৩৭ বিলিয়ন ডলার থেকে ১৭.৮৮ শতাংশ বেশি।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাসের শুরুতে প্রবাহ কিছুটা কম হলেও সার্বিকভাবে চলতি অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। অর্থবছরের বাকি সময়েও এই ধারা অব্যাহত থাকলে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
—জা.অর্থনীতি/এনজে
