Print Date & Time : 07 November 2026 Saturday 03:55 am

নতুন করে রেলের জমি লিজ দেওয়া হবে না: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

image

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: রেলের কোনো সম্পত্তি নতুন করে লিজ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। তিনি বলেন, বর্তমানে যেসব লিজ রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা হবে। আইনি বাধা না থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী লিজ বাতিল করে জমি পুনরুদ্ধার করা হবে।

রেললাইনের ওপর ধানের খড়ে চাকা স্লিপ, এজন্য ট্রেনের বিলম্ব

শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রেলের কোনো জমি নতুন করে লিজ দেওয়া হবে না। বিদ্যমান লিজগুলো পর্যালোচনা করা হবে। যেখানে আইনি জটিলতা থাকবে না, সেখানে লিজ বাতিল করে জমিগুলো পুনর্গঠন করা হবে।

তিনি জানান, রেলের অব্যবহৃত অনেক জায়গায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব জমিকে জনস্বার্থে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামে রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং রেলের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেসব স্থাপনা ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোনো অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা রয়েছে। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী: ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন ৫ ফুট উঁচু করা হবে

রেলের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় দলীয়করণের সুযোগ নেই। এরপরও কোথাও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রেলসেবার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে হাবিবুর রশিদ বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীসেবা সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং ভ্রমণের সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট হ্রাস পাবে।

স্বয়ংক্রিয় রেলগেট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: রেল প্রতিমন্ত্রী

তিনি আরও জানান, পর্যটন ও যাত্রীচাহিদা বিবেচনায় ঢাকা-কক্সবাজার রুটেও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

—জা.অর্থনীতি/আরএস