জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: টেসলার বছরে গাড়ি বিক্রি টয়োটার তুলনায় অনেক কম, তবু বাজারমূল্যে টেসলা এগিয়ে বহু গুণ। এই অস্বাভাবিক মূল্যায়নের পেছনে আসল রহস্যটা কী?
সাধারণত কোনো কোম্পানির বাজারমূল্য নির্ধারিত হয় তার বর্তমান আয় আর মুনাফার ভিত্তিতে। কিন্তু ইলন মাস্কের কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে এই হিসাব খাটে না। টেসলার মার্কেট ক্যাপ দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি, অথচ তাদের বার্ষিক গাড়ি বিক্রি টয়োটার তুলনায় অনেক কম। এই পার্থক্যের কারণ, বিনিয়োগকারীরা টেসলাকে মূল্যায়ন করছেন বর্তমান গাড়ি বিক্রির ভিত্তিতে না, বরং ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ভিত্তিতে।
বিশ্লেষকদের মতে, টেসলার মূল্যায়নের একটা বড় অংশ এখন নির্ভর করছে রোবোট্যাক্সি আর অপটিমাস হিউম্যানয়েড রোবটের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার ওপর। একজন বিশ্লেষক তো বলেই দিয়েছেন, রোবোট্যাক্সি খাতই একদিন এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের হতে পারে, শুধু গাড়ি বিক্রির চেয়েও বেশি। একই যুক্তি খাটে স্পেসএক্সের ক্ষেত্রেও, যেখানে কোম্পানির মূল্যায়ন নির্ধারিত হচ্ছে ভবিষ্যতে মহাকাশ পর্যটন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট আর সরকারি চুক্তির সম্ভাবনার ভিত্তিতে।
এই ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতিকে বলা হয় ভবিষ্যৎমুখী বা গ্রোথ ভ্যালুয়েশন, যেখানে বর্তমান আয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা। এটা ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ প্রত্যাশিত প্রযুক্তি সময়মতো বাস্তবে না এলে শেয়ারের দাম হঠাৎ বড় ধরনের সংশোধনের মুখে পড়তে পারে, যেমনটা দেখা গেছে ২০২৫ সালের শুরুতে যখন বিক্রি কমে যাওয়ায় টেসলার শেয়ার প্রায় অর্ধেক নেমে গিয়েছিল।
তারপরও বিনিয়োগকারীরা মাস্কের ট্র্যাক রেকর্ডের ওপর আস্থা রেখে এই উচ্চ মূল্যায়ন মেনে নিচ্ছেন, কারণ অতীতে তার একাধিক অসম্ভব লক্ষ্যমাত্রাই শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
টেসলার বছরে গাড়ি বিক্রি টয়োটার তুলনায় অনেক কম, তবু বাজারমূল্যে টেসলা এগিয়ে বহু গুণ। এই অস্বাভাবিক মূল্যায়নের পেছনে আসল রহস্যটা কী?
টেসলার গাড়ি বিক্রি টয়োটার চেয়ে অনেক কম, তবু মার্কেট ক্যাপ দেড় ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। কারণ, বিনিয়োগকারীরা মূল্যায়ন করছেন ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ভিত্তিতে, বর্তমান বিক্রির ভিত্তিতে না। রোবোট্যাক্সি আর অপটিমাস রোবটই এখন টেসলার মূল্যায়নের বড় অংশ। একই যুক্তি খাটে স্পেসএক্সেও, যার মূল্যায়ন নির্ভর করছে ভবিষ্যতের মহাকাশ পর্যটন আর ইন্টারনেট সেবার সম্ভাবনার ওপর। এটাকে বলা হয় গ্রোথ ভ্যালুয়েশন, ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ প্রযুক্তি সময়মতো না এলে শেয়ারের দাম হঠাৎ পড়ে যেতে পারে, যেমনটা হয়েছিল ২০২৫ সালে। তারপরও মাস্কের ট্র্যাক রেকর্ডের ওপর আস্থা রেখেই বিনিয়োগকারীরা এই উচ্চ মূল্যায়ন মেনে নিচ্ছেন।
—জা. অর্থনীতি/এলএটি