Print Date & Time : 28 October 2026 Wednesday 04:18 am

যশোর রুটে ফের চালু হচ্ছে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট

image

অনলাইন ডেস্ক: বৃহত্তর যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং যাত্রীদের বিমান যোগাযোগ আরও সহজ ও সময়সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানায়, ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা-যশোর রুটে সপ্তাহে তিন দিন— শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুইটি করে মোট ছয়টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা। এ রুটে ৭২ আসনের এটিআর ৭২-৬০০ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার প্রতিদিন প্রথম ফ্লাইটটি সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে যাত্রা করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে যশোরে অবতরণ করবে। একই উড়োজাহাজ সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

এছাড়া প্রতিদিন দ্বিতীয় ফ্লাইটটি বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে যাত্রা করে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে যশোরে পৌঁছাবে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৬টায় যশোর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

ঢাকা-যশোর রুটে ইউএস-বাংলার সর্বনিম্ন ওয়ান-ওয়ে ভাড়া ৫,৭৪৯ টাকা এবং রিটার্ন ভাড়া ১১,৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লিখিত সব ভাড়ার সঙ্গে প্রযোজ্য ট্যাক্স ও সারচার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা-যশোর রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্য দিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের অভ্যন্তরীণ বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে ঢাকার দ্রুত ও নিরাপদ আকাশ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এয়ারলাইন্সটি।

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দেশের অভ্যন্তরে ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, সিলেট, সৈয়দপুর ও রাজশাহী রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে ঢাকা-যশোর রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউএস-বাংলা।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৃহত্তর যশোর অঞ্চলের মানুষের বিমান যোগাযোগের চাহিদা, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা, পর্যটন এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে এ রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভবিষ্যতে এ রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

—জা.অর্থনীতি/জেআরটি