Print Date & Time : 08 November 2026 Sunday 04:48 am

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত চাষে ফেরাতে বীজ-চারা বিতরণ শুরু

image

অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত পাঁচ জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত চাষাবাদে ফিরিয়ে আনতে বিনামূল্যে ধান বীজ ও চারা বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। পাশাপাশি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এসব এলাকার শতভাগ গবাদিপশুকে খুরা রোগ (এফএমডি) প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারীতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষী ও খামারিদের মাঝে ধান বীজ, পুকুর পুনর্বাসনের উপকরণ ও গোখাদ্য বিতরণ এবং গবাদিপশুর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মন্ত্রী বলেন, চলমান বন্যায় আমন ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেসব জমিতে এখনও পানি রয়েছে, সেখানে সরকারি উদ্যোগে বিকল্প বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এসব বীজতলার চারা ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।

তিনি জানান, বন্যার পর সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে বিশেষ টিমের মাধ্যমে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে গোখাদ্যের সংকট মোকাবিলায় প্রাথমিকভাবে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে এ সহায়তা আরও বাড়ানো হবে।

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, বন্যায় মৎস্য খাতে কয়েকশ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষীদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সারা দেশে পর্যায়ক্রমে প্রায় দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এছাড়া বন্যা ও জলাবদ্ধতা কমাতে অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি খাল উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় খনন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও উল্লেখ করেন।

এর আগে মন্ত্রী বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ধান বীজ, মৎস্যচাষের উপকরণ ও গোখাদ্য বিতরণ করেন। একই সঙ্গে এফএমডি ও পিপিআর রোগ প্রতিরোধে গবাদিপশুর টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

জা.অর্থনীতি/এসআই