Print Date & Time : 24 October 2026 Saturday 11:14 pm

গ্রাহকের টাকা নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী লাপাত্তা

image

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর আওতাভুক্ত বারৈয়ারহাট জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহার স্বাভাবিক থাকলেও অস্বাভাবিক ও ভুতুড়ে বিল তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বিগত মাসগুলোর তুলনায় জুন মাসে ২ থেকে ৩ গুণ বেশি বিল আসায় সাধারণ গ্রাহকদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। এছাড়া জুন ক্লোজিংয়ের কথা বলে গ্রাহকদের প্রায় ৫ লাখ টাকার বকেয়া বিল তুলে অফিসের মিটার রিডার ও বিল বিতরণকারী অপু সরকার নামের এক কর্মচারী লাপাত্তা হয়েছেন।

ভোগান্তির শিকার কয়েকজন গ্রাহক ও ব্যবসায়ী জানান— আসিফ হোসেন, নুর ইসলাম এবং বেলায়েত হোসেন। তাদের অভিযোগ, মাঠ পর্যায়ে না গিয়ে অফিসে বসে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এই বিল তৈরি করা হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত ইউনিটের কারণে গ্রাহকরা উচ্চতর ট্যারিফ স্ল্যাবের গ্যাঁড়াকলে পড়েছেন। অনেক ক্ষেত্রে মে মাসের তুলনায় জুনে বিল ৩-৪ গুণ বেশি এসেছে এবং অফিসে গিয়েও কোনো প্রতিকার মিলছে না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাঠ পর্যায়ের কর্মচারীরা জানান, অর্থবছর শেষে রাজস্ব আদায়ের অলিখিত চাপের কারণেই এমন অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বারৈয়ারহাট জোনাল অফিসের ডিজিএম হেদায়েত উল্লাহ বলেন, গরম, বিদ্যুতের রেট বৃদ্ধি এবং কোরবানির ঈদে গ্রামে লোকসংখ্যা বাড়ায় ব্যবহার বেশি হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে। পলাতক কর্মচারী অপু সরকারের বিষয়ে তিনি জানান, সে ৫ লাখ টাকার মতো বিল নিয়ে পালিয়ে গেছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তবে ব্যক্তি বিশেষের কাছে টাকা দেওয়ায় এই দায় অফিস নেবে না, টাকা গ্রাহককেই দিতে হবে।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি