পাবনায় জোড়া খুনের মামলায় গ্রেপ্তার ১
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনার সদর উপজেলার আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া হাটে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় এজাহারনামীয় সন্দেহভাজন ৯ নম্বর আসামি মুসা (২৬)-কে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।

রোববার (১ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আতাইকুলা থানার পুষ্পপাড়া পূর্ব বনগ্রাম এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মুসা আতাইকুলা থানার ধর্মগ্রাম এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে।

আরও পড়ুন: পাবনায় জোড়া খুনের ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মামলা

রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-১২ পাবনা ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার ডলি রানী সরকার। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবির একটি চৌকস দল পুষ্পপাড়া পূর্ব বনগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুসাকে আটক করে। পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আতাইকুলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রকিবুল হাসান জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে গ্রেপ্তারকৃত মুসা নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে তার বিরুদ্ধে এর আগে থানায় অন্য কোনো মামলার রেকর্ড নেই।

উল্লেখ্য, গত গত ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার আতাইকুলা থানাধীন পুষ্পপাড়া হাটের অস্থায়ী কার্যালয়ে বসেছিলেন হাটের ইজারাদার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত পাবনা সদর উপজেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম (৫৬)। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাগ্নে ও আতাইকুলা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন হোসেন (৪০)।

অকস্মাৎ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত অফিসে প্রবেশ করে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মামা ও ভাগ্নের মৃত্যু হয়।

চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে নিহত রিপন হোসেনের ভাই রুবেল হোসেন বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে আতাইকুলা থানায় জোড়া খুনের মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মুসার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিট মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

—জা. অর্থনীতি/এলএটি