জাতীয় অর্থনীতি বিনোদন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হলিউড তারকা জুলিয়া রবার্টসকে নিয়ে রহস্যময় ও অজানা কারণে ছড়ানো হচ্ছে প্রতারণামূলক ক্লিকবেইট ফাঁদ। একই সঙ্গে জীবনের রোমাঞ্চকর বাস্তব অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে আজ ৫৮ বছরে পা রাখলেন এই অস্কারজয়ী জনপ্রিয় অভিনেত্রী। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি প্রিটি উইমেন হলিউড ভক্ত বিশ্ববাসীর কাছে।
ফেসবুক কিংবা ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি কিছু `স্ক্যাম’ ফিশিং লিংক ছড়িয়ে পড়েছে। সাইবার অপরাধীরা বিজ্ঞাপন বা ভুয়া পেজের মাধ্যমে এই ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য বা অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এই অনলাইন কেলেঙ্কারির বাইরেও হলিউড সুন্দরীর ব্যক্তিগত জীবনে রয়েছে বেশ কিছু চমকপ্রদ ও সত্য ইতিহাস।
এক জিনতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যায়, জুলিয়া রবার্টসের আসল পদবি ‘রবার্টস’ নয়। তার পূর্বপুরুষের ডিএনএ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার আসল পারিবারিক নাম ‘মিচেল’। এছাড়া ১৯৯১ সালে অভিনেতা কিফার সাদারল্যান্ডের সঙ্গে তার বহুল আলোচিত বিয়ে ভাঙার ঘটনা এবং হলিউডের গ্ল্যামার থেকে দূরে সাধারণ পারিবারিক জীবন কাটানোর সিদ্ধান্তও ভক্তদের মাঝে দারুণ আলোচিত।
১৯৬৭ সালের ২৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া এই অভিনেত্রী রূপ ও প্রতিভার সুবাদে আজও বিশ্বজুড়ে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। অনলাইন জালিয়াতির এই যুগে ভুয়া ফাঁদ এড়িয়ে হলিউডের এই আইকনিক তারকার বর্ণাঢ্য জীবনকে নতুন করে চেনাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সকলের।
উল্লেখ্য, অভিনয়ের জাদুতে বিশ্বজয় করা জুলিয়া রবার্টসের ঝুলিতে রয়েছে বেশ কিছু আইকনিক ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র। নব্বইয়ের দশকে মুক্তিপ্রাপ্ত রোমান্টিক কমেডি ‘প্রিটি উইম্যান’ তার কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। এই ছবিটিই তাকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি এনে দেয়। এরপর একে একে ‘নটিং হিল’, ‘মাই বেস্ট ফ্রেন্ডস ওয়েডিং’-এর মতো দারুণ সব রোমান্টিক চলচ্চিত্রে জুলিয়ার অনবদ্য উপস্থিতি দর্শকহৃদয়ে চিরসবুজ হয়ে আছে।
তবে শুধু রোমান্টিক ধারাই নয়, বাস্তব জীবনের এক সংগ্রামী নারীর চরিত্রে ‘ইরিন ব্রকভিচ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে অস্কারসহ বিশ্বসেরা সব নামিদামি পুরস্কার জিতে নেন এই অভিনেত্রী। বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রাখা এই হলিউড ডিভা আজও তার সাবলীল অভিনয়শৈলী দিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে রাজত্ব করে চলেছেন।
জা. অর্থনীতি/এআর
