আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পূর্ব এশিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’র সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় পরিবহনব্যবস্থায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঝড়ের আশঙ্কায় তাইওয়ান ও জাপানে দুই শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে হাজারো যাত্রীর ভ্রমণ পরিকল্পনায় বিঘ্ন ঘটেছে। পাশাপাশি কয়েকটি রেল ও ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং পর্যটনকেন্দ্রে প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাইওয়ানে প্রায় ১২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর বেশির ভাগই প্রধান দ্বীপের সঙ্গে ছোট দ্বীপগুলোর অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করত। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কিছু রেল ও ফেরি পরিষেবা স্থগিতের পাশাপাশি জাতীয় উদ্যান ও জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর কয়েকটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, জাপানের প্রধান দুই বিমান সংস্থা জাপান এয়ারলাইন্স (জেএএল) ও অল নিপ্পন এয়ারওয়েজ (এএনএ) বৃহস্পতিবার থেকে রবিবারের মধ্যে ১০০টির বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এসব ফ্লাইটের অধিকাংশই অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচল করত। এর ফলে অন্তত ১১ হাজার যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ ও তীব্রতার পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবহন পরিষেবার সময়সূচিও বদলে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে তাইওয়ান ও জাপানে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার সর্বশেষ ঘোষণা এবং আবহাওয়াবিষয়ক সতর্কতা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জা.অর্থনীতি/এসআই