অনলাইন ডেস্ক: ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে বিশ্ব বসতি দিবস। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার দিবসটি পালন করা হয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৫ সালে অক্টোবরের প্রথম সোমবারকে বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৮৬ সাল থেকে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। আজ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপন ও বসতি মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
দ্রুত নগরায়ণের ফলে বাংলাদেশে আবাসনের চাহিদা বাড়লেও সবার জন্য নিরাপদ, পর্যাপ্ত ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য নগর এলাকায় সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ সীমিত। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলাশয় ও কৃষিজমি ভরাট, যানজট এবং নাগরিক সেবার অসম বণ্টনও নগরজীবনে চাপ বাড়াচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫ অনুযায়ী, ঢাকায় বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ মানুষ বসবাস করছে। ২০০০ সালে প্রায় ১ কোটি ৭৪ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে ঢাকা বিশ্বের নবম জনবহুল নগর ছিল। ২৫ বছরের ব্যবধানে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল নগরে পরিণত হয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৫০ সালে প্রায় ৫ কোটি ২১ লাখ জনসংখ্যা নিয়ে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগরী হতে পারে।
নগরবিদদের মতে, ঢাকার ওপর আবাসনের চাপ কমাতে কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন ও নাগরিক সুবিধা দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও শহরে ছড়িয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত এবং কৃষিজমি, জলাশয় ও জলাভূমি রক্ষায় পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা জরুরি।
জা.অর্থনীতি/এসআই