অনলাইন ডেস্ক: কোনো ধরনের চাপের কারণে নয়, বরং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই বোয়িং কেনার চুক্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে দেশে ফেরার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বোয়িং কেনার চুক্তি প্রসঙ্গে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ড. মাহদী আমিন বলেন, এটি কোনো পক্ষের ওপর চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। দ্বিপাক্ষিক স্বার্থের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বোয়িংয়ের কাছ থেকে এ সিদ্ধান্ত বেশ আগে থেকেই নেয়া হয়েছিল। এ সংক্রান্ত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। তবে দুই পক্ষ এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং চুক্তি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে স্ট্র্যাটেজিক সিভিল নিউক্লিয়ার কোঅপারেশন নিয়েও একটি মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এদিকে, গতরাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনা নিয়েও সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। জবাবে মাহদী আমিন বলেন, সরকারের নাম ভাঙিয়ে কেউ কোনো অপকর্ম করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তৎপর রয়েছে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না এবং আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।
—জা. অর্থনীতি/এএইচএ
