ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) রিসার্চ সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে গবেষণাধর্মী নতুন ওয়েবসাইট (https://iurs.org.bd) উন্মোচন করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি করিডোরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনের মডারেটর অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান এই ওয়েবসাইটের শুভ সূচনা করেন।
সংগঠন সূত্রে জানা যায়, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য গবেষণাসংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করতেই এ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে। ওয়েবসাইটে সংগঠনের প্রকাশিত গবেষণা ও আর্টিকেলের পাশাপাশি অ্যালামনাইদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও থাকবে। এর মাধ্যমে বর্তমান সদস্যরা সাবেক দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও গবেষণাসংক্রান্ত দিকনির্দেশনা নিতে পারবেন।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি ত্বকী ওয়াসীফের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মডারেটর অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, সহ-সভাপতি সাকিব আসলাম, কোষাধ্যক্ষ ফাহিম ফয়সালসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।
সভাপতি ত্বকী ওয়াসীফ বলেন, “বর্তমান যুগে একটি গবেষণামুখী সংগঠনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে ডিজিটালাইজেশনের কোনো বিকল্প নেই। মূলত সেই লক্ষ্য থেকেই আমাদের এই উদ্যোগ। ওয়েবসাইটে আমাদের প্রকাশিত রিসার্চ ও আর্টিকেলের পাশাপাশি সংগঠনের অ্যালামনাইদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যম থাকবে। এর ফলে সাধারণ সদস্যরা সহজেই সাবেক দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও গাইডলাইন নিতে পারবেন।”
ওয়েবসাইটটি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মডারেটর অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু পড়ালেখা বা সার্টিফিকেট অর্জন নয়; বরং গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করা। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা কেন চার থেকে ছয় বছর সময় ব্যয় করে- এর অন্যতম কারণ হওয়া উচিত জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষণার চর্চা।”
তিনি বলেন, অনেক শিক্ষার্থী মাস্টার্স শেষ করে সার্টিফিকেট নিয়ে বের হলেও গবেষণা কী, তা যথাযথভাবে বুঝতে পারে না। অনেকের কাছে গবেষণা বলতে ফিল্ডওয়ার্ক, রিপোর্ট লেখা কিংবা কপি-পেস্ট করাকেই বোঝায়। অথচ গবেষণার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং বিদ্যমান জ্ঞানকে আরও বিস্তৃত করা।
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণভোমরা হলো গবেষণা। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি এবং তাদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি সম্প্রসারণে বিশ্ববিদ্যালয়কে কার্যকর পরিবেশ তৈরি করতে হবে।”
—জা. অর্থনীতি/এলএটি