ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এই জেলার গ্যাস ও বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও শিল্পকারখানার চাহিদা মেটাচ্ছে। অথচ মাসের পর মাস ধরে সংকটে খোদ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ।
কাজীপাড়া, দক্ষিণ মৌড়াইল, কালাশ্রীপাড়া, মেড্ডা, কাউতলীসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার পরই গ্যাস চলে যায়। রাত ১১টার পর গ্যাস এলেও থাকে না স্বাভাবিক চাপ। বাধ্য হয়ে মাটির চুলা ও সিলিন্ডারে রান্না করছেন বাসিন্দারা। এর সঙ্গে ঘন ঘন বিদ্যুতের লোডশেডিং। দিনে আসে-যায়, রাতেও নেই স্বস্তি। গরমে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশু ও বয়স্করা।
পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে চুরির চেষ্টা, অসুস্থ ৭
গ্যাস সংকটে জেলার ৫টি সিএনজি ফিলিং ও ১৭টি গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানাতেও ব্যাহত হচ্ছে কার্যক্রম। ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ সারি, আর বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের এমন অভিযোগও রয়েছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এলএনজি সংকটের পর সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। তবে স্বাভাবিক চাপ ফিরতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।
এর আগে ১২ আগস্ট এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় সংকট দেখা দেয়। এতে জেলার প্রায় ২৬ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, যে জেলার গ্যাস ও বিদ্যুৎ দিয়ে দেশের অন্য জেলা ও শিল্পকারখানার চাহিদা মেটে, সেই জেলার মানুষই কেন গ্যাস-বিদ্যুতের জন্য দিনের পর দিন ভোগান্তি পোহাবেন।
—জা. অর্থনীতি/এনজে
