খোলা তেলের স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধে এডভোকেসি সভা
ছবি: জাতীয় অর্থনীতি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: ভোজ্যতেল ক্রয়-বিক্রয়ে ক্ষতিকর ও অনিরাপদ ড্রামের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বাতিল এবং খোলা তেলের স্বাস্থ্যঝুঁকি রোধে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অংশীজনদের ভূমিকা সংক্রান্ত এক এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই এডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​ক্যাব সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মো. একলাছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো. শাহজাহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মিনহাজুর রহমান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ইশরাত আজম ঈশিতা।

রংপুরে ৪ খুনের ঘটনায় দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নিশ্চয়তা

আরও বক্তব্য রাখেন- ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব ও সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চাতক চাকমা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মতিউর রহমান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ এবং ক্যাব সিলেট বিভাগের সভাপতি জামিল চৌধুরী প্রমুখ।

এ সময় ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব ও সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বাজার থেকে অনিরাপদ ড্রাম পর্যায়ক্রমে তুলে দিয়ে শতভাগ বোতলজাত ও ফুড-গ্রেড প্যাকেজিং নিশ্চিত করতে হবে। এই বার্তা সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে শিক্ষক ও সুশীল সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

​সভায় বিষাক্ত ও নন ফুড গ্রেড প্লাস্টিক বা কেমিক্যালের ড্রামে ভোজ্যতেল পরিবহনের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলে ধরে বিশেষজ্ঞ মতামত পেশ করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা তালুকদার। 

তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন

তিনি উল্লেখ করেন, কেমিক্যাল ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত অনিরাপদ ড্রামে ভোজ্যতেল পরিবহনের ফলে ক্যানসার ও হৃদরোগসহ নানা জটিল ব্যাধির ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। 

পরে মানব স্বাস্থ্যের উপর ড্রামের খোলা ভোজ্য তেলের ক্ষতিকর প্রচার সম্পর্কে ভোক্তা এবং বাল্ক ব্যবসায়ীদের সচেতনতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে বক্তারা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে নিয়মিত প্রশাসনিক নজরদারি, প্রশাসনিক অভিযান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান।

—জা. অর্থনীতি/এনজে