নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের দুটি নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা ও কুশিয়ারা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আরও পাঁচটি স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় পৌঁছেছে, যা উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
কেন্দ্রের তথ্যে বলা হয়েছে, তিস্তা নদীর নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার এবং কুশিয়ারা নদীর সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া তিস্তা নদীর লালমনিরহাটের কাউনিয়া ও গাইবান্ধার তারাপুর, সোমেশ্বরী নদীর নেত্রকোণার কলমাকান্দা, কুশিয়ারা নদীর সুনামগঞ্জের মারকুলি এবং সুরমা নদীর সিলেটের কানাইঘাট স্টেশনে পানি সতর্কসীমায় রয়েছে।
পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৭৪টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, ৪৭টিতে কমেছে এবং ৩টিতে অপরিবর্তিত রয়েছে। আরও ৩টি স্টেশনের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন।
গেল ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে সর্বোচ্চ ২৫৪ মিলিমিটার এবং জলপাইগুড়িতে ১৬৫ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে পঞ্চগড় ও সিলেটের শেওলা এলাকায়।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজানের ভারী বৃষ্টিপাত এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া
—জা.অর্থনীতি/এএইচএ