কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ম্রুণাল ঠাকুর, কারণ কী?

বিনোদন ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবারই নতুন আতঙ্কের নাম ‘ডিপফেক’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে ডিপফেকের দৌরাত্ম্য। কারও মুখ অন্যের শরীরে বসিয়ে কিংবা আসল ছবিকে বিকৃত করে তৈরি করা হচ্ছে ভুয়া ছবি ও ভিডিও। এটি ব্যবহার করে তারকাদের ছবি বিকৃত করা নতুন কিছু নয়। এআই প্রযুক্তির যুগে অহরহ তৈরি হচ্ছে ভুয়া ছবি ও ভিডিও। 

এবার ডিপফেক নিয়ে সরব হলেন বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর। ভবিষ্যতে তাঁর ছবি বা পরিচয় বিকৃত করে কোনো আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি কিংবা প্রচার করা হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া এক বার্তায় ডিপফেক নির্মাতা ও প্রচারকারীদের উদ্দেশে কড়া সতর্কবার্তা দেন ম্রুণাল। নিজের পোস্টটিকে আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবেও বিবেচনা করতে বলেছেন অভিনেত্রী। 

এতে ম্রুণাল লিখেছেন, ‘এটিকে আমার আনুষ্ঠানিক নোটিশ হিসেবে বিবেচনা করুন। অবিলম্বে এ ধরনের কুরুচিকর কাজ বন্ধ করুন। এরপরও যদি আমার পরিচয়ের অপব্যবহার করা হয় তাহলে আমি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। আপত্তিকর ছবি ভিডিও বানানো সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ 

শুধু নিজের ক্ষেত্রে নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডিপফেকের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার নিয়েও উদ্বিগ্ন বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকা। প্রতিনিয়ত তারকাদের ছবি ও ভিডিও বিকৃত করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে, ভুয়া কনটেন্টের বিস্তার নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে উদ্বেগ। 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশমিকা মান্দানা, ক্যাটরিনা কাইফ, রণবীর সিং, আলিয়া ভাটসহ একাধিক তারকা ডিপফেকের শিকার হয়েছেন। 

ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন সময় সচেতনতার বার্তাও দিয়েছেন তারকারা। তবে, প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ভুয়া কনটেন্টের পরিমাণ বাড়তে থাকায় বিষয়টি এখন শুধু তারকাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রশ্ন নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। 

—জা. অর্থনীতি/এনএ